ঈদের দিনসহ আগামী পাঁচ দিন সারাদেশে ঝড়-বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, ঈদের দিনসহ আগামী পাঁচ দিন সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়ো হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এমনকি কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিও হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। শুক্রবার (২০ মার্চ) সন্ধ্যায় দেওয়া এই পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর স্বাক্ষর করেছেন।
শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত পূর্বাভাস
শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎচমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামী শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরের ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎচমকানোসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়েও দেশে বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দিনটিতে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
আগামী রবিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎচমকানোসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
ঈদের দিনগুলোর পূর্বাভাস
ঈদের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ, আগামী সোমবারের সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎচমকানোসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
ঈদের তৃতীয় দিন অর্থাৎ, আগামী মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎচমকানোসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ে দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
সিনপটিক অবস্থা ও গতকালের আবহাওয়া
শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে দেওয়া পূর্বাভাসে সিনপটিক অবস্থার কথা জানিয়ে বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।
এদিকে, বুধবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে মাদারীপুরে। এ সময়ে জেলাটিতে ৩৩ মি.মি. বৃষ্টিপাত হয়েছে। আর এ সময়ে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে রংপুরের রাজারহাট ও সৈয়দপুরে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে টেকনাফে, ৩৩ দশমিক এক ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদফতর জনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে, বিশেষ করে ঈদের সময়ে ভ্রমণ ও অন্যান্য কর্মকাণ্ডে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা মাথায় রাখতে হবে।



