করোনা ভ্যাকসিন কেনায় ব্যয় ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি টাকা, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হিসাব প্রকাশ
করোনা ভ্যাকসিন কেনায় ব্যয় ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি টাকা

করোনা ভ্যাকসিন কেনায় ব্যয় ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি টাকা, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হিসাব প্রকাশ

করোনা মহামারির সময় দেশের মানুষের সুরক্ষায় ভ্যাকসিন কেনায় এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের দশম দিনে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন।

সংসদে ভ্যাকসিন ব্যয়ের বিস্তারিত বিবরণ

ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিনের একটি লিখিত প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, করোনা মহামারি মোকাবিলায় ভ্যাকসিনসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম আমদানি ও কেনাকাটার জন্য ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে ৪ হাজার ৬৮৫ কোটি ২২ লাখ ২ হাজার ২৯৭ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। এই বরাদ্দ থেকে এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিন কেনায় ব্যয় হয়েছে ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা।

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দশম দিনের সভা সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়েছিল।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভ্যাকসিন কার্যক্রমের অন্যান্য খরচ

ভ্যাকসিন কার্যক্রমের অন্যান্য খাতের ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য সিরিঞ্জ ক্রয় বাবদ ৩০ কোটি ৮৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্যাকসিন পৌঁছে দিতে পরিবহন খরচ বাবদ ১৯ কোটি ৫৭ লাখ ৩ হাজার ৩৫৪ টাকা এবং সিরিঞ্জ শিপিং ও চার্জ হিসেবে ৯৯ লাখ ৭৮ হাজার ৯৮০ টাকা ব্যয় হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দুর্নীতির অভিযোগ ও সরকারের প্রতিশ্রুতি

ভ্যাকসিন আমদানিতে কোনও অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়েছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ভ্যাকসিন ক্রয় ও সংরক্ষণ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত কোনও সুনির্দিষ্ট তথ্য বা অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে সরকার সর্বদা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ সংক্রান্ত কোনও অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্ত্রী আরও জানান, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে দেশ দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সক্ষম হয়েছে। তিনি দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতি ও জনগণের সুরক্ষায় সরকারের অব্যাহত প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন।