বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো প্রায়ই রাতে বা মধ্যরাতে হয় বলে অনেকের ঘুমের সময়সূচি (সার্কাডিয়ান রিদম বা বডি ক্লক) বিপর্যস্ত হয়। সার্কাডিয়ান রিদম হলো আমাদের শরীরের অভ্যন্তরীণ ২৪ ঘণ্টার ঘড়ি, যা ঘুম, হরমোন, মেটাবলিজম ও এনার্জি নিয়ন্ত্রণ করে। রাতের ম্যাচ দেখতে জাগলে এটি শরীরে নানা সমস্যা সৃষ্টি করে।
শরীরে কী কী সমস্যা হতে পারে?
যখন আপনার ঘুমে থাকার কথা, তখন রাত জেগে খেলা দেখছেন। এতে বেশি রাত অবধি খেলা দেখার কারণে কাজের সময়েও ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না। দায়িত্বপূর্ণ কাজের সময়ের সঙ্গে আপনার কিছু শারীরিক সমস্যাও হতে পারে। এতে ঘুমের সমস্যা, ক্লান্তি, মেটাবলিজমের গোলমাল, ওজন বাড়া, হজমের সমস্যা ও দীর্ঘ মেয়াদে হার্ট ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
কীভাবে ম্যানেজ করবেন?
তবে সঠিক কৌশলে এটি ম্যানেজ করা যায়। নিচে বিস্তারিত পরামর্শ আছে, তা মেনে চলতে পারেন।
- ম্যাচের আগে ঘুমিয়ে নিন: ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে নিলে শরীর কিছুটা বিশ্রাম পায়।
- হালকা খাবার খান: রাতে ম্যাচ দেখার সময় ভারী খাবার এড়িয়ে চলুন, হালকা স্ন্যাকস খান।
- পর্যাপ্ত পানি পান করুন: ডিহাইড্রেশন এড়াতে পানি পান করুন, ক্যাফেইন ও চিনিযুক্ত পানীয় কমিয়ে দিন।
- ম্যাচের পর ঘুমানোর রুটিন: ম্যাচ শেষ হওয়ার পর দ্রুত ঘুমাতে যাওয়ার চেষ্টা করুন এবং ঘরের আলো কমিয়ে দিন।
এই কৌশলগুলো মেনে চললে বিশ্বকাপ উপভোগ করার পাশাপাশি শরীরের ক্ষতি কমাতে পারবেন।



