গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কুকুরের কামড়ে কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত করে জেলা সিভিল সার্জনকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বুধবার (২০ মে) বিচারপতি মো. ইকবাল কবির এবং বিচারপতি এসএম সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
রিট আবেদনের শুনানি
এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত এই নির্দেশ দেয়। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শামীম হায়দার পাটোয়ারী। তিনি জানান, গাইবান্ধায় কুকুরের কামড়ে ১৭ জন আহত হন। পরে সরকারি হাসপাতালে টিকা না পেয়ে বেসরকারি হাসপাতাল থেকে টিকা নেন তারা। তারপরও এ ঘটনায় পাঁচজন মারা যান।
তদন্তের নির্দেশনা
গাইবান্ধার সিভিল সার্জনকে ঘটনা খতিয়ে দেখে ঈদের ছুটির পর প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সেখানে কী ঘটেছিল, কতজন মারা গেছেন, কীভাবে মারা গেছেন, গাফিলতি ছিল কিনা, সে বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
ক্ষতিপূরণ ও চিকিৎসার দাবি
এ ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে এবং আহতদের সরকারি খরচে চিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে আইনজীবী মো. শাফিনুর ইসলাম হাইকোর্টে রিট করেন। রিটে স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক, গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট ১১ জনকে বিবাদী করা হয়।
আইনজীবী শামীম হায়দার পাটোয়ারী সাংবাদিকদের বলেন, কুকুরের কামড়ে আহত ১৭ জন সরকারি হাসপাতালে টিকা না পেয়ে বেসরকারি হাসপাতাল থেকে টিকা নিয়েছিলেন। কিন্তু তাতেও পাঁচজনের মৃত্যু রোধ করা যায়নি। আদালতের নির্দেশে এখন তদন্ত করে এ ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের চিহ্নিত করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।



