প্রিপেইড মিটারে দীর্ঘ টোকেনে ভোগান্তি, লক হয়ে বিদ্যুৎহীন গ্রাহকরা
প্রিপেইড মিটারে দীর্ঘ টোকেনে ভোগান্তি, লক হয়ে বিদ্যুৎহীন

প্রিপেইড মিটারে টাকা রিচার্জের পর গ্রাহকদের মোবাইলে ৮০ থেকে ৩০০ ডিজিটের অস্বাভাবিক দীর্ঘ টোকেন নম্বর আসছে। এত বড় টোকেন মিটারে প্রবেশ করাতে গিয়ে অনেকে ভুল করছেন। ফলে মিটার লক হয়ে যাচ্ছে। এতে বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎ–বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে।

গ্রাহকদের ভোগান্তি ও অভিযোগ

পার্বতীপুর শহরের আমীরগঞ্জ মহল্লার গ্রাহক মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় দোকান থেকে ১ হাজার টাকা রিচার্জ করি। রিচার্জের নম্বরে ৩০০ ডিজিটের টোকেন আসে। এত সংখ্যা কি একবারে চাপা যায়! পরে অন্যের সহযোগিতা নিয়ে বহু কষ্টে মিটার চালু হয়েছে।’

রবিউল ইসলাম, মাসুদ পারভেজ, বেলাল আহম্মেদসহ একাধিক গ্রাহক বলেন, মিটার রিচার্জ করতে গিয়ে তাঁরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। তাঁদের দাবি, আগের অ্যানালগ মিটারের তুলনায় প্রিপেইড পদ্ধতি মোটেও গ্রাহকবান্ধব নয়। অস্বাভাবিক দীর্ঘ টোকেন নম্বর মিটারে প্রবেশ করাতে গিয়ে ভুল হয়ে যাচ্ছে। এতে মিটার লক হয়ে গরমের মধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন অবস্থায় থাকতে হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ব্যবসায়ীদের অভিজ্ঞতা

শহরের পূর্ব হুগলিপাড়া মহল্লার আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘মিটার সচল করতেও বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে।’

শহরের শহীদ মিনার সড়কের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমাকে না জানিয়ে আমার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে মিটার চেঞ্জ করা হয়েছে, অথচ আমি জানি না। এ বিষয়ে আমি নেসকো কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছি। এর সঠিক উত্তর দিতে পারেনি। বলেছে, পরে নাকি আমার সঙ্গে কথা বলবে। এখন পর্যন্ত তারা কথা বলেনি।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নেসকোর ব্যাখ্যা

পার্বতীপুর নেসকোর আবাসিক প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন বলেন, ‘মিটারে ৩০০ ডিজিট ইনপুট বড় কোনো জটিলতা নয়। গ্রাহক চাইলে এ ব্যাপারে আমরা সহযোগিতা দেব। মাঠপর্যায়ে নেসকো কর্মীরা দায়িত্বে আছেন। কাজেই কোনো প্রকার সমস্যা হওয়ার কথা নয়। অনেক গ্রাহক প্রতিদিনই আসেন মিটার লক হয়েছে যাওয়ার সমস্যা নিয়ে। আবেদন ফি দেওয়ার মধ্যে দিয়ে আবারও মিটার আনলক করে দেওয়া হয়। মিটারে এই নতুন মূল্যহার কার্যকর করতে রিচার্জ টোকেনের সঙ্গে অতিরিক্ত টোকেন পাঠানো হচ্ছে।’