জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সিগারেটসহ সব তামাকপণ্যের কার্যকর কর ও মূল্য বৃদ্ধির সুপারিশ করে অর্থমন্ত্রী বরাবর আধা-সরকারি পত্র (ডিও লেটার) দিয়েছেন ২৬ জন সংসদ সদস্য।
রবিবার (২৪ মে) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ২৬ জন সংসদ সদস্যের সই করা ডিও লেটার তাদের পক্ষে সংসদ সদস্য মোসা. ফরিদা ইয়াসমিন, সানসিলা জেবরিন, ফেরদৌসী আহমেদ, আরিফা সুলতানা এবং নেওয়াজ হালিমা আরলী হস্তান্তর করেন।
সিগারেটের মূল্য নির্ধারণের প্রস্তাব
ডিও লেটারে সংসদ সদস্যরা সিগারেটের ক্ষেত্রে নিম্ন ও মধ্যম স্তর একীভূত করে প্রতি ১০ শলাকার মূল্য ১০০ টাকা, উচ্চ স্তরের মূল্য ১৪০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরের মূল্য ২০০ টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করেন। পাশাপাশি প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটে চার টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপের প্রস্তাব করা হয়।
বিড়ি, জর্দা ও গুলের মূল্য
এছাড়া ফিল্টারবিহীন ২৫ শলাকার বিড়ির খুচরা মূল্য ৩০ টাকা নির্ধারণ, প্রতি ১০ গ্রাম জর্দার খুচরা মূল্য ৬০ টাকা এবং প্রতি ১০ গ্রাম গুলের খুচরা মূল্য ৩৫ টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়।
রাজস্ব আয় ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা
ডিও লেটারে আরও বলা হয়, প্রস্তাবিত সুপারিশগুলো বাস্তবায়িত হলে আশা করা যায়, কেবল সিগারেট খাত থেকেই প্রায় ৮৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় হবে। একই সঙ্গে প্রায় পাঁচ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ ধূমপান থেকে বিরত থাকতে উৎসাহিত হবে এবং প্রায় তিন লাখ ৭২ হাজার তরুণ ধূমপান শুরু করতে নিরুৎসাহিত হবে। অর্থাৎ একদিকে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে, অপরদিকে স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যবস্থা হবে। এটি সুস্পষ্টভাবে সরকার ও জনগণ উভয়ের জন্যই লাভজনক।



