চট্টগ্রামে ধর্ষণচেষ্টায় আহত ৪ বছরের শিশুর চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন মেয়র
চট্টগ্রামে ধর্ষণচেষ্টায় আহত ৪ বছরের শিশুর চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন মেয়র

চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকায় ধর্ষণচেষ্টায় আহত চার বছর বয়সী শিশুর চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে শিশুটিকে দেখতে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার পরিদর্শন করে এ ঘোষণা দেন তিনি।

মেয়রের হাসপাতাল পরিদর্শন

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন হাসপাতালে গিয়ে শিশুটির শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় তিনি শিশুটির পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন। শিশুটির মাকে মেয়র শিশুটির চিকিৎসার যাবতীয় দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দেন।

এসময় মেয়র বলেন, ‘শিশুর প্রতি এ ধরনের নৃশংস ও অমানবিক ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। আমি ইতোমধ্যে শিশুটির সুচিকিৎসা নিশ্চিতের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দিয়েছি। আমি কর্তব্যরত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গেও কথা বলেছি। আমি একজন চিকিৎসক এবং সন্তানের বাবা হিসেবে এই শিশুটির চিকিৎসার দায়িত্ব নিলাম। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে যাতে এধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গেও কথা বলেছি, যাতে কোনো অপরাধী যেন ছাড় না পায়।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সাংবাদিকদের খোঁজখবর

পরে হাসপাতালে শিশুটির এলাকায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে আহত হওয়া চিকিৎসাধীন সাংবাদিকদেরও খোঁজখবর নেন মেয়র। তিনি সাংবাদিকদের চিকিৎসা পরিস্থিতি সম্পর্কে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনার বিবরণ

পুলিশ জানায়, চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় একটি ডেকোরেশনের কর্মচারী চার বছরের এক শিশুকে দোকানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে লোকজন রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করতে থাকেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনায় জড়িত ডেকোরেশনের কর্মচারীকে আটক করে।

এসময় মেয়রের সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. সামিউল।