গ্যাস বিস্ফোরণে অন্তঃসত্ত্বা সোনিয়া আক্তারের মৃত্যু, বাকি ৯ জন চিকিৎসাধীন
রাজধানীর তুরাগের কামারপাড়া এলাকায় একটি বাসায় ঘটে যাওয়া গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তঃসত্ত্বা সোনিয়া আক্তার (২৫) মারা গেছেন। জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার (৭ মার্চ) সকাল ১০টায় তার মৃত্যু হয়।
শতভাগ দগ্ধ হয়েছিল শরীর
বার্ন ইনিস্টিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান জানান, মৃতের শরীরের শতভাগ দগ্ধ হয়েছিল। তিনি বলেন, "সোনিয়া আক্তারের অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর ছিল এবং তার শরীরের প্রায় পুরো অংশই দগ্ধ হয়ে গিয়েছিল। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।"
বিস্ফোরণের ঘটনা ও আহতদের অবস্থা
শুক্রবার (৬ মার্চ) ভোরে তুরাগের কামারপাড়া এলাকার একটি বাসায় এই গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ওই বাসায় থাকা নারী-শিশুসহ মোট ১০ জন দগ্ধ হন। সোনিয়া আক্তারের মৃত্যুর পর বাকি ৯ জন এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের অবস্থা সম্পর্কে বার্ন ইনিস্টিউটের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর, তবে বাকিরা স্থিতিশীল।
পরিবারের শোক ও পটভূমি
সোনিয়া আক্তার বাগেরহাটের মোল্লারহাট উপজেলার চুনখোলা গ্রামের রুবেলের স্ত্রী ছিলেন। এই দুর্ঘটনায় পরিবারটি গভীর শোকে নিমজ্জিত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিস্ফোরণের সময় বাসাটিতে বেশ কয়েকটি পরিবার বসবাস করছিল, যা আহতের সংখ্যা বাড়িয়েছে।
গ্যাস বিস্ফোরণের সঠিক কারণ এখনো তদন্তাধীন রয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রান্নাঘরে গ্যাস লিকেজের কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটে থাকতে পারে। কর্তৃপক্ষ দ্রুত তদন্ত চালিয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।



