পিরোজপুরে একই পরিবারের তিন সদস্যকে অজ্ঞান করে মূল্যবান মালামাল লুটের অভিযোগ
পিরোজপুরে পরিবারের তিন সদস্যকে অজ্ঞান করে লুটের অভিযোগ

পিরোজপুরে একই পরিবারের তিন সদস্যকে অজ্ঞান করে মূল্যবান মালামাল লুটের অভিযোগ

পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলায় একই পরিবারের তিন সদস্যকে অজ্ঞান করে ঘরের মূল্যবান মালামাল লুটের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাতে উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের টগরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

ভুক্তভোগীদের পরিচয় ও উদ্ধার

অচেতন অবস্থায় উদ্ধার হওয়া তিনজন হলেন টগরা গ্রামের এনামুল হক (৫০), তার স্ত্রী মরিয়ম (৪৫) এবং মেয়ে সাবিহা (২০)। তাদের পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ভুক্তভোগী এনামুল হকের ছেলে সাজিদ জানান, সকালে প্রতিবেশীরা তাদের বাসায় গিয়ে দেখতে পান ঘরের পেছনের দরজা খোলা এবং ঘরের ভেতর সবকিছু এলোমেলো। পরিবারের সদস্যরা অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

লুটের ঘটনা ও সম্ভাব্য কারণ

সাজিদ আরও জানান, ঘরে থাকা স্বর্ণালঙ্কারসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র দুর্বৃত্তরা নিয়ে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, রাতের কোনো এক সময় খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক কিছু মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যা তাদের অচেতন করে ফেলতে পারে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

চিকিৎসা ও পুলিশের প্রতিক্রিয়া

পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক শংযুক্তা সাহা বলেন, ‘সকালে তিনজনকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের ভর্তি রাখা হয়েছে। ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণের আগে অচেতন হওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ বলা যাচ্ছে না।’ এ বিষয়ে ইন্দুরকানী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।