তরুণদের মাদক প্রতিরোধে বিজ্ঞানভিত্তিক ও সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান মন্ত্রীর
তরুণদের মাদক প্রতিরোধে বিজ্ঞানভিত্তিক উদ্যোগের আহ্বান

তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে শুধু ভয়ভীতি বা নিষেধাজ্ঞামূলক প্রচারণার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বিজ্ঞানভিত্তিক ও সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য

রবিবার (২১ জুন) মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে আহ্ছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (আউস্ট) আয়োজনে এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন ও ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব সাবসটেন্স ইউজ প্রোফেশনালস (আইস্যাপ) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. এম এইচ খান মিলনায়তনে ‘তরুণদের মাদক প্রতিরোধে প্রমাণভিত্তিক উদ্যোগ’ শীর্ষক সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সমন্বিত ভূমিকা

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সরকার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পরিবার ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সমন্বিত ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “দেশকে মাদকমুক্ত করতে আমাদের সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তাহলে আমরা একটি সুন্দর সমাজ তথা মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবো।”

তিনি আরও বলেন, “সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আমরা এডুকেশনের পাশাপাশি স্কিল, টুলস, বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিয়ে যুবসমাজকে দক্ষ করে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছি।” দারিদ্র্যতা দূরীকরণে এ বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ ও অংশগ্রহণ

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের পরিচালক এবং আইস্যাপ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের জেনারেল সেক্রেটারি ইকবাল মাসুদ।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আউস্টের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আশরাফুল হকের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফ, আইস্যাপ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের চেয়ারম্যান ডা. এম এ মোহিত কামাল। এছাড়া সেমিনারে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিনিধি, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও গবেষকরা অংশ নেন।