অ্যালার্জিতে স্টেরয়েড নেওয়ার আগে জানুন বিশেষজ্ঞের মতামত
অ্যালার্জিতে স্টেরয়েড নেওয়ার আগে জানুন বিশেষজ্ঞের মতামত

আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দিনরাত পাহারা দেয় ক্ষতিকর জীবাণু থেকে। তবে মাঝে মাঝে এই ব্যবস্থা ভুল করে, যার ফলে দেখা দেয় অ্যালার্জি। অ্যালার্জি হলে কী করবেন? বিশেষজ্ঞ ডা. তাসনিম জারা জানিয়েছেন বিস্তারিত।

অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণের প্রথম ধাপ

অ্যালার্জির প্রধান ওষুধ হলো অ্যান্টিহিস্টামিন। এটি হিস্টামিনের কার্যকারিতা রোধ করে অ্যালার্জির অস্বস্তি কমায়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এটি গ্রহণ করা উচিত। এছাড়াও চুলকানি কমাতে ঠাণ্ডা সেক, কালামাইন লোশন বা ১% মেন্থল ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে। নাক বন্ধের জন্য ডিকনজেস্টেন্ট স্প্রে ও চোখের ড্রপ রয়েছে।

মানসিক চাপ ও অ্যালার্জি

মানসিক চাপ অ্যালার্জিকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই নিয়মিত ব্যায়াম, যোগব্যায়াম ও শ্বাসের ব্যায়ামের মাধ্যমে মানসিক প্রশান্তি আনার চেষ্টা করা জরুরি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্টেরয়েড গ্রহণের ঝুঁকি

তীব্র অ্যালার্জিতে অল্প দিনের জন্য স্টেরয়েড দেওয়া হতে পারে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কখনোই এটি খাওয়া উচিত নয়। স্টেরয়েড রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দমন করে, যা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের মতো সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। করোনা মহামারিতে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে অনেক মানুষ অন্ধ হয়েছিলেন, যার জন্য দায়ী ছিল অনিয়ন্ত্রিত স্টেরয়েড ব্যবহার।

ইমিউনোথেরাপি: দীর্ঘমেয়াদী সমাধান

অ্যালার্জির পরবর্তী ধাপের চিকিৎসা হলো ইমিউনোথেরাপি বা অ্যালার্জি ভ্যাক্সিন। এটি কয়েক বছর ধরে অল্প অল্প করে অ্যালার্জেন ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া হয়। অ্যালার্জি সম্পূর্ণ সেরে না গেলেও এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রাণঘাতী অ্যালার্জির লক্ষণ

প্রাণঘাতী অ্যালার্জির লক্ষণগুলো দ্রুত শুরু হয় ও খারাপ হয়: শ্বাসকষ্ট, শোঁ শোঁ শব্দ, বুক ধড়ফড়, মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হওয়া, ঘাম, কনফিউশন, মুখ-চোখ-ঠোঁট-জিহ্বা ফুলে যাওয়া, চাকা চাকা, চুলকানি, বমি, পেট ব্যথা ইত্যাদি। এমন লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে এবং সময়মতো ইনজেকশন দেওয়া জীবন বাঁচাতে পারে।