জাতীয় সংসদ গ্যালারিতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য ১৫০ আসন বরাদ্দ: শিক্ষা মন্ত্রণালয়
সংসদ গ্যালারিতে শিক্ষার্থী-শিক্ষকের জন্য ১৫০ আসন বরাদ্দ

জাতীয় সংসদ গ্যালারিতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য ১৫০ আসন বরাদ্দ

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জাতীয় সংসদ গ্যালারিতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য মোট ১৫০টি আসন বরাদ্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) প্রকাশিত এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্পিকারের অনুমোদনের পর এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।

আসন বণ্টনের বিবরণ

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন সম্প্রতি স্পিকারের কাছে একটি পত্র লিখে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০টি আসন বরাদ্দের আবেদন জানান। একইসঙ্গে, বয়সে বড় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য অতিরিক্ত ১০০টি আসনেরও অনুরোধ করেন তিনি। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এই আবেদন মঞ্জুর করেছেন, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ

এখন থেকে শিক্ষার্থীরা সরাসরি সংসদ অধিবেশন পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন এবং সংসদ পরিচালনা পদ্ধতি সম্পর্কে হাতে-কলমে জ্ঞান অর্জন করতে সক্ষম হবেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য

এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, "শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শিক্ষার্থীদের নিয়ে নৌবিহারে যেতেন, যাতে তারা রাষ্ট্রের সম্পদ ও সম্ভাবনা সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারে। শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে আমিও চাই, নতুন প্রজন্ম রাষ্ট্র সম্পর্কে জানুক এবং রাজনীতি সচেতন হোক।" তার মতে, এই পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম ও নাগরিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করতে সহায়ক হবে।

প্রভাব ও সম্ভাবনা

এই সিদ্ধান্তের ফলে:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • শিক্ষার্থীরা জাতীয় সংসদের কার্যক্রম প্রত্যক্ষভাবে দেখার সুযোগ পাবেন।
  • শিক্ষকরা সংসদীয় প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও গভীরভাবে বুঝতে পারবেন, যা শ্রেণিকক্ষে শিক্ষাদানে সহায়ক হবে।
  • গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় আশা প্রকাশ করে যে, এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে শিক্ষা ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে এবং শিক্ষার্থীদেরকে সক্রিয় নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে।