ঢাবির প্রশাসনিক জটিলতায় শিক্ষার্থীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষা বাধাগ্রস্ত, প্রতিবাদে ব্যঙ্গাত্মক প্রশিক্ষণ
ঢাবির জটিলতায় শিক্ষার্থীদের বিদেশে পড়ার সুযোগ হ্রাস, প্রতিবাদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক জটিলতায় শিক্ষার্থীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষা বাধাগ্রস্ত

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক জটিলতার কারণে একাধিক শিক্ষার্থী বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ হারিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ভবনের কাজের ধারা ক্রমেই সমস্যাজনক হয়ে উঠছে, যা তাদের বিদেশে পড়াশোনার পথে বড় বাধা সৃষ্টি করছে।

প্রতিবাদে ব্যঙ্গাত্মক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে ‘মেইল ভেরিফিকেশন’ ও ‘কল রিসিভ’ সংক্রান্ত একটি ব্যঙ্গাত্মক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করেছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ভবনের মূল ফটকের সামনে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ব-চেতন শিক্ষার্থীবৃন্দ’ প্ল্যাটফর্মের ব্যানারে এই প্রতীকী কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী হাসিবুল আলম তাহিন বলেন, “রেজিস্ট্রার ভবনের কাজের ধারা শিক্ষার্থীদের জন্য ক্রমেই সমস্যাজনক হয়ে উঠছে। কয়েকদিন আগে ইমেইল ভেরিফিকেশন না হওয়ায় এক শিক্ষার্থীর বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বাতিল হয়ে গেছে। তাই আমরা ভেবেছি, অফিসারদের ই-মেইল ভেরিফাই করা ও কীভাবে কল রিসিভ করতে হয়—তা শেখানো উচিত। এটি একটি ব্যঙ্গাত্মক প্রতিবাদ।”

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সনদপত্র যাচাইকরণে ভোগান্তি

একই বিভাগের শিক্ষার্থী অর্ক বড়ুয়া বলেন, “বিদেশে পড়তে যাওয়ার ক্ষেত্রে ঢাবি শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয় সনদপত্র যাচাইকরণে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাড়া না পাওয়ায় দুই শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারেননি, তাদের আবেদন বাতিল করা হয়েছে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “দেশের প্রয়োজনে একজন শিক্ষার্থী বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য গেলে তাদের পথ সহজ করা এবং খরচ কমানোর দিকে নজর দেওয়া উচিত।”

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হয়রানির ঘটনা ও প্রতীকী প্রতিবাদ

শিক্ষার্থীরা জানান, এর আগে প্রশাসনিক ভবনে নানা ধরনের হয়রানির ঘটনাও ঘটেছে। এসবের প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবেই আজকের এই আয়োজন করা হয়েছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চেয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

শিক্ষার্থীদের এই প্রতিবাদ কর্মসূচি সামাজিক মাধ্যমেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যেখানে অনেকে প্রশাসনিক সংস্কারের দাবি জানাচ্ছেন।