জবিতে নারী শিক্ষার্থীদের মাতৃত্বকালীন ছুটির নীতিমালা প্রণয়নের দাবি
জবিতে নারী শিক্ষার্থীদের মাতৃত্বকালীন ছুটির নীতিমালা দাবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের মাতৃত্বকালীন ছুটির নীতিমালা প্রণয়নের জোর দাবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নারী শিক্ষার্থীদের জন্য মাতৃত্বকালীন ছুটির নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য সাদমান সাম্য ও জাহিদ হাসান। সোমবার (৬ এপ্রিল) ওই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক রইছ উদ্দিন বরাবর স্মারকলিপি দেন জকসুর এই দুই কার্যনির্বাহী সদস্য।

মাতৃত্বকালীন সময়ে নারী শিক্ষার্থীদের চ্যালেঞ্জ

আবেদনপত্রে জকসুর পক্ষ থেকে বলা হয়, মাতৃত্বকাল একজন নারী শিক্ষার্থীর জীবনের অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়ে শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক নানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এর কারণে নিয়মিত ক্লাস, পরীক্ষা ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়া অনেক ক্ষেত্রে কঠিন হয়ে পড়ে।

আবেদনপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের পরিস্থিতিতে অনেক নারী শিক্ষার্থী অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে পিছিয়ে পড়েন এবং সেশন জটসহ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হন। তাই তাদের শিক্ষা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি হয়ে পড়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জকসুর প্রস্তাবিত নীতিমালার মূল বিষয়গুলো

জকসুর প্রস্তাবনায় আরও বলা হয়, নারী শিক্ষার্থীদের জন্য চার থেকে ছয় মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটির ব্যবস্থা চালু করা, ছুটিকালীন সময়ে উপস্থিতিতে শিথিলতা প্রদান, প্রয়োজন অনুযায়ী পরীক্ষা স্থগিত বা বিকল্প পরীক্ষার সুযোগ রাখা এবং ছুটি শেষে নির্বিঘ্নে একাডেমিক কার্যক্রমে ফিরে আসার জন্য সহায়ক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এ বিষয়ে জকসুর নেতারা বলেন, শিক্ষাবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ গড়ে তুলতে মাতৃত্বকালীন ছুটির মতো মানবিক নীতিমালা প্রণয়ন সময়ের দাবি। তারা এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সদয় দৃষ্টি ও দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জকসুর নেতারা আরও উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এ ধরনের নীতিমালা না থাকায় নারী শিক্ষার্থীরা প্রায়ই একাডেমিক সাফল্য অর্জনে বাধার সম্মুখীন হন। এটি শুধু ব্যক্তিগত সমস্যা নয়, বরং সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক বলে তারা মন্তব্য করেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের নীতিমালা প্রণয়ন হলে তা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি মডেল হিসেবে কাজ করতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন জকসুর সদস্যরা। তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দ্রুত এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।