পাক-বাংলাদেশ নলেজ করিডোর: শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন দিগন্ত
পাক-বাংলাদেশ নলেজ করিডোর: শিক্ষায় নতুন দিগন্ত

শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ডা. এএনএম এহসানুল হক মিলন আজ বলেছেন, ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডোর’ কর্মসূচি দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণা ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্বোধন

মন্ত্রী ঢাকার একটি হোটেলে ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডোর’ কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং ‘এডুকেশন এক্সপো-২০২৬’-এর সূচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, “এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা আশা করি উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার্থী-শিক্ষক বিনিময় কর্মসূচি আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।”

প্রথম পর্যায়ের সাফল্য

মিলন জানান, প্রথম পর্যায়ে ইতিমধ্যে ৭৪ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পাকিস্তানে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছে। তিনি বলেন, “দ্বিতীয় পর্যায়েও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুযোগ থাকবে।”

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ের মান

পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ের মান খুব ভালো উল্লেখ করে মিলন বলেন, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা বিনা খরচে সেখানে পড়ার সুযোগ পাচ্ছে, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিশেষ করে, আবাসন ও জীবনযাত্রার জন্য শিক্ষার্থীদের দেওয়া মাসিক বৃত্তি তাদের পুরোপুরি পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে সাহায্য করবে।

সাংস্কৃতিক মিল

মন্ত্রী বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ধর্ম, সংস্কৃতি এবং খাদ্যাভ্যাসে অনেক মিল রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ১১৬টি বেসরকারি ও ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে ভবিষ্যতে পাকিস্তানের শিক্ষার্থীরাও উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশে আসবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

যৌথ সহযোগিতার ওপর জোর

মিলন দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যৌথ সহযোগিতা ও শিক্ষক বিনিময় কর্মসূচি বাড়ানোর ওপর জোর দেন। বৃত্তির জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচনের স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার প্রশংসা করে তিনি বলেন, পাকিস্তানের নির্বাচন পদ্ধতি চমৎকার, আর শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ পাচ্ছে। “আমাদের মন্ত্রণালয় এই পরীক্ষা পরিচালনায় সব ধরনের সহায়তা দেবে,” তিনি যোগ করেন।

অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক, পাকিস্তান হায়ার এডুকেশন কমিশনের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।