প্রথম আলো ট্রাস্টের আয়োজনে আজ আমরা কথা বলছি মো. আমিনুল হক মাখনের সঙ্গে, যিনি সম্প্রতি ৪৬ তম এবং ৪৯ তম বিসিএস পরীক্ষায় সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এই দীর্ঘ পথচলার গল্প শুনতে আমরা তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ।
দুটো বিসিএসেই শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশ
মো. আমিনুল হক মাখন বলেন, 'বিসিএস যাত্রা সব সময়ই বিশেষ ছিল। ৪৯ তম বিসিএস থেকে শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশ পাই, পরে ৪৬ তম বিসিএসেও একই ক্যাডারে সুপারিশ পাই। এটি আমার ও পরিবারের জন্য বড় প্রাপ্তি।'
ছোটবেলার স্বপ্ন ও বাস্তবতা
ছোটবেলায় স্বপ্ন ছিল সাধারণ, তবে ক্লাস এইট থেকে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে পরিকল্পনা করতে থাকেন। তিনি বলেন, 'আমি কল্পনা করেছিলাম, এসএসসিতে ভালো করব, এইচএসসিতে মোটামুটি, কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ব। বাস্তবতা অনেকটা মিলে গেছে।'
শিক্ষকের অমূল্য উপদেশ
বাবা হারানোর পর কঠিন সময়ে শিক্ষক জহরুল ইসলাম সোহাগ তাকে একটি উপমা দিয়েছিলেন: 'পড়াশোনা মাথার মতো, সমস্যা হাতের মতো। হাত ক্ষতিগ্রস্ত হলেও টিকে থাকা যায়, কিন্তু মাথা নষ্ট হলে নয়।' এই কথাই তাকে পড়াশোনায় মনোযোগী করে তোলে।
পরিবারের ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
স্ত্রীর ধৈর্য ও মা-জ্যাঠার উৎসাহ তাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। ভবিষ্যতে শিক্ষা ক্যাডারে থেকে এমফিল, পিএইচডি ও গবেষণা করতে চান। তিনি বলেন, '৫০ তম বিসিএসে কাস্টমস ক্যাডার না পেলেও শিক্ষা ক্যাডারেই নিজেকে উৎসর্গ করব।'
সফলতার মন্ত্র
মাখনের মতে, পরিশ্রমের ঘাটতি খুঁজে বের করে আরও পড়া এবং কখনো হাল না ছাড়াই সফলতার চাবিকাঠি।



