ড্যাফোডিল আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় শীর্ষে টাইমস হায়ার এডুকেশন এশিয়া র্যাঙ্কিংয়ে
ড্যাফোডিল আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় শীর্ষে টাইমস হায়ার এডুকেশন এশিয়া র্যাঙ্কিংয়ে

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই) প্রকাশিত এশিয়া ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিং ২০২৬-এ বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম এবং সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়টি এশিয়ার মধ্যে ৩৫১–৪০০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে, যা এর আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ে ক্রমবর্ধমান সুনাম এবং একাডেমিক উৎকর্ষতাকে আরও দৃঢ়ভাবে তুলে ধরেছে।

স্কোর ও সূচকসমূহ

ডিআইইউ এই র্যাঙ্কিংয়ে ৩৮ দশমিক ২২ স্কোর অর্জন করেছে, যা পাঁচটি প্রধান সূচকের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়েছে। সূচকগুলো হলো—শিক্ষার মান, গবেষণা পরিবেশ, গবেষণার গুণগত মান, শিল্পখাতের সঙ্গে সংযোগ এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি।

একাডেমিক অগ্রগতি

এ অর্জনের মাধ্যমে ডিআইইউ তার একাডেমিক মান উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ এবং উদ্ভাবনভিত্তিক শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার করেছে। বিশ্বমানের মানদণ্ড অনুসরণ করে শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক ও কার্যকর শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মূল্যায়ন পদ্ধতি

টাইমস হায়ার এডুকেশন এশিয়া ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিংয়ে শিক্ষার মান, গবেষণা কার্যক্রম, জ্ঞান বিনিময় এবং আন্তর্জাতিক সংযোগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সূচকের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মূল্যায়ন করা হয়েছে। ডিআইইউ ধারাবাহিকভাবে এই র্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান ধরে রেখেছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়টির মানসম্মত শিক্ষা, গবেষণায় অবদান, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং টেকসই উন্নয়নের প্রতি প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

দেশের অন্যতম শীর্ষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি উচ্চশিক্ষায় উৎকর্ষতা, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে এসেছে। জাতীয় ও বৈশ্বিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়টি নিরলসভাবে এগিয়ে এসেছে। এই অর্জন ডিআইইউর আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে অগ্রযাত্রাকে আরও ত্বরান্বিত করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন। ভবিষ্যতেও বৈশ্বিক উচ্চশিক্ষা খাতে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান সুদৃঢ় করতে এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়টি তার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।