বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি নতুন শিক্ষানীতি ২০২৩ অনুমোদন করেছে। এই নীতির আওতায় প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত ব্যাপক সংস্কারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, নতুন নীতিতে শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি ও কারিগরি শিক্ষার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষানীতির মূল বৈশিষ্ট্য
নতুন শিক্ষানীতিতে প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও সহজলভ্য করার পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসারে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষার সংস্কার
প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় অন্তত একটি করে মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও অবকাঠামো উন্নয়নেও বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে।
উচ্চশিক্ষায় পরিবর্তন
উচ্চশিক্ষায় গবেষণা ও উদ্ভাবনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বৃত্তি ও বিদেশে পড়াশোনার সুযোগ তৈরি করা হবে।
কারিগরি শিক্ষার প্রসার
নতুন নীতিতে কারিগরি শিক্ষাকে মূলধারার শিক্ষার সাথে সমন্বয় করার কথা বলা হয়েছে। দেশের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনবল তৈরির জন্য বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। এতে বেকারত্ব হ্রাস পাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, এই শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থ বাজেটে বরাদ্দ করা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এর ফলাফল দৃশ্যমান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।



