চট্টগ্রাম সিটি কলেজে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত
চট্টগ্রাম সিটি কলেজে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ

চট্টগ্রাম সিটি কলেজে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, ক্লাস-পরীক্ষা স্থগিত

চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের তীব্র ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার সকালে প্রথম দফা সংঘর্ষের পর বিকেলেও আবারো সংঘর্ষে জড়ায় দুটি পক্ষ। সংঘর্ষের সময় দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের হাতে লাঠিসোঁটা দেখা যায় এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এ পরিস্থিতিতে কলেজ কর্তৃপক্ষ অভ্যন্তরীণ ক্লাস ও নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করেছেন। তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষ এবং মাস্টার্সের পরীক্ষা হয়েছে বলে জানা গেছে।

গ্রাফিতি নিয়ে বিতণ্ডা সংঘর্ষের কারণ

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, কলেজ ভবনের দেয়ালে একটি গ্রাফিতি ছিল যার নিচে লেখা ছিল—‘ছাত্ররাজনীতি ও ছাত্রলীগ মুক্ত ক্যাম্পাস’। গতকাল সোমবার রাতে কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে একদল নেতা-কর্মী সেখানে গিয়ে গ্রাফিতি থেকে ‘ছাত্র’ শব্দটি মুছে দেন। এর পরিবর্তে ওপরে লিখে দেন ‘গুপ্ত’। বিষয়টি নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে বিতণ্ডার জেরে আজ সকালে প্রথম দফায় সংঘর্ষে জড়ান উভয় পক্ষের নেতা-কর্মীরা।

সরকারি সিটি কলেজের উপাধ্যক্ষ জসীম উদ্দিন বলেন, ‘সকালে গ্রাফিতির ওপর লেখা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুপুর ১২টার পর কলেজের অভ্যন্তরীণ ক্লাস এবং পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিকেলের সংঘর্ষে লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ

সকালের সংঘর্ষের পর বিকেল ৪টার দিকে আবারও সংঘর্ষে জড়ায় দুটি পক্ষ। এ সময় দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের হাতে লাঠিসোঁটা দেখা যায়। কলেজ ক্যাম্পাসের সামনে দুই পক্ষ একে অন্যকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ থাকলেও তাঁদের অনেকটা নির্বিকার অবস্থায় দেখা যায়। সংঘর্ষে হতাহতের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফতাব উদ্দিন বলেন, ‘ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানা যাবে।’

এই ঘটনায় কলেজ ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। স্থানীয়রা শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন।