জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২৪-এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
শিক্ষানীতির মূল দিক
নতুন শিক্ষানীতিতে প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে চার বছর করার প্রস্তাব করা হয়েছে। মাধ্যমিক শিক্ষার মেয়াদ সাত বছর থেকে কমিয়ে ছয় বছর করারও প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়া উচ্চশিক্ষায়ও কিছু সংস্কারের কথা বলা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটি একটি যুগোপযোগী শিক্ষানীতি, যা দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও দক্ষ করে তুলবে।’
পরিবর্তনের যুক্তি
শিক্ষানীতির খসড়ায় বলা হয়েছে, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ কমাতে এবং শিক্ষার মান উন্নত করতে এই পরিবর্তন আনা হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ কমানোর ফলে শিশুরা দ্রুত মাধ্যমিক স্তরে প্রবেশ করতে পারবে। মাধ্যমিক শিক্ষার মেয়াদ কমানোর ফলে তারা উচ্চশিক্ষা বা কর্মজীবনে দ্রুত প্রবেশ করতে পারবে।
বিশেষজ্ঞদের মতামত
শিক্ষাবিদরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল্লাহ বলেন, ‘শিক্ষার মেয়াদ কমানোর পাশাপাশি পাঠ্যক্রমের মান উন্নত করাও জরুরি। এই খসড়ায় সেটির প্রতিফলন ঘটেছে বলে আমরা মনে করি।’
পরবর্তী পদক্ষেপ
মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর শিক্ষানীতির খসড়াটি আইন মন্ত্রণালয়ে যাবে। সেখান থেকে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য জাতীয় সংসদে তোলা হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হবে।



