খাগড়াছড়ির রামগড়ে কলাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় অগ্নিকাণ্ডে সম্পূর্ণ ভস্মীভূত, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান বাতিল
খাগড়াছড়ির রামগড়ে কলাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই

খাগড়াছড়ির রামগড়ে কলাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় অগ্নিকাণ্ডে সম্পূর্ণ ধ্বংস

খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলায় একটি বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুল সম্পূর্ণরূপে অগ্নিকাণ্ডের শিকার হয়েছে। কলাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় নামে প্রতিষ্ঠানটি শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা আনুমানিক পৌনে ৮টার দিকে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এই ঘটনায় স্কুলের টিনশেড ভবন, সমস্ত আসবাবপত্র, কম্পিউটার, আইপিএস এবং অন্যান্য মালামাল সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছে।

আগুনের সূত্রপাত ও দ্রুত বিস্তার

স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল কাদের জানান, শনিবার সন্ধ্যা পৌনে ৮টার দিকে স্কুলঘরের পশ্চিম পাশে আগুনের সূত্রপাত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো ভবন ভস্মীভূত হয়ে যায়। তিনি উল্লেখ করেন, এ সময় স্কুলে কোনো শিক্ষার্থী বা কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন না, যা একটি বড় সৌভাগ্যের বিষয়। তবে, রবিবার এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল, যা এখন বাতিল করতে হয়েছে।

স্কুলের প্রতিষ্ঠা ও ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ

প্রধান শিক্ষকের বর্ণনা অনুযায়ী, এই স্কুলটি ২০২২ সালে তৎকালীন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস এবং রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার ইফতেখার উদ্দিন আরাফাতের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়। উপজেলার পাতাছড়া ইউনিয়নের প্রত্যন্ত কালাবাড়ী এলাকায় অবস্থিত এই বিদ্যালয়টি সম্প্রতি উন্নয়নের পথে এগোচ্ছিল।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অত্যন্ত ব্যাপক:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • সম্পূর্ণ টিনশেড স্কুলঘর পুড়ে গেছে
  • ক্লাসরুম, শিক্ষক কক্ষ এবং অফিস কক্ষ ধ্বংস হয়েছে
  • কম্পিউটার, আইপিএস এবং সমস্ত আসবাবপত্র নষ্ট হয়েছে
  • স্কুলের অন্যান্য মালামালও পুড়ে গেছে

ফায়ার সার্ভিসের প্রতিক্রিয়া ও তদন্ত

স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী শামীম জানান, খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তবে তাদের পৌঁছানোর আগেই স্কুলটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। রামগড় ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ বিশ্বান্তর বিকাশ বড়ুয়া বলেন, দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে, কিন্তু আগুন লাগার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

কাজী শামীম উল্লেখ করেন, অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ তদন্ত করে জানা যাবে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এখন তদন্ত কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়নের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এই ঘটনা এলাকার শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।