বাঘার ৩৯ এসএসসি শিক্ষার্থীর অ্যাডমিট কার্ড ইস্যু: পরীক্ষার আগে সমাধান
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কেশবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৩৯ জন এসএসসি শিক্ষার্থী অবশেষে তাদের অ্যাডমিট কার্ড পেয়েছেন, যা পরীক্ষা শুরুর মাত্র কয়েক দিন আগে একটি জরুরি সমাধানের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) শিক্ষা কর্তৃপক্ষ ফরম পূরণ ও রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শেষ করে শিক্ষার্থীদের হাতে অ্যাডমিট কার্ড তুলে দিয়েছেন।
পরীক্ষার আগে ফরম পূরণ না হওয়ার ঘটনা
জানা গেছে, আগামী ২১ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে, পরীক্ষার মাত্র ছয় দিন বাকি থাকতে বাঘার এই শিক্ষার্থীরা জানতে পারেন যে তাদের ফরম পূরণ সম্পন্ন হয়নি। এই বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত হলে, কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে রেজিস্ট্রেশন ও ফরম পূরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।
কেশবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিস্থিতি
শিক্ষা বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বাঘা উপজেলার কেশবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের মোট পরীক্ষার্থী ৪০ জন। এদের মধ্যে মাত্র একজন শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ হয়েছিল, বাকি ৩৯ জনের ফরম পূরণ হয়নি। এছাড়াও, নবম শ্রেণির ৩৪ জন শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশনও এই সময়ে সম্পন্ন করা হয়েছে। ফরম পূরণ শেষে ৩৯ জন শিক্ষার্থীর জন্য অ্যাডমিট কার্ড ইস্যু করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া ও ব্যবস্থা
কেশবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান এই বিষয়ে মন্তব্য করেন, "পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ থেকে কিভাবে বাদ পড়েছিল, তা বুঝতে পারিনি। জানতে পেরে অবশেষে কলেজ পরিদর্শক এবং চেয়ারম্যান স্যারের সঙ্গে কথা বলে শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ও ফরম পূরণ সম্পন্ন করে অ্যাডমিট কার্ডও দেওয়া হয়েছে।" শনিবার অনলাইন থেকে অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করে শিক্ষার্থীদের হাতে সরবরাহ করা হয়।
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক শামীম হাসান বলেন, "চেয়ারম্যান স্যারের সঙ্গে আলোচনা করে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে।" একইভাবে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী আক্তার নিশ্চিত করেন যে, শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ সম্পন্ন করে অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শেষ মুহূর্তের সমাধানের তাৎপর্য
এই ঘটনাটি শিক্ষা ব্যবস্থায় জরুরি সমস্যা সমাধানের গুরুত্ব তুলে ধরে। পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগে ফরম পূরণ না হওয়ার মতো বাধা সত্ত্বেও, গণমাধ্যমের আলোচনা ও কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। এটি শিক্ষা প্রশাসনের সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা এবং সামাজিক মাধ্যমের ভূমিকাকেও নির্দেশ করে।



