প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উন্নয়নে পাঁচ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এএনএম ইহসানুল হক মিলন রবিবার সংসদে জানিয়েছেন, বাংলাদেশে প্রাথমিক ও গণশিক্ষার মানোন্নয়নে সরকার একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। তিনি সংসদ সদস্য এসএম জাহাঙ্গীর হোসেনের (ঢাকা-১৮) এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য তুলে ধরেন।
প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে চলমান প্রকল্পসমূহ
মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণে বর্তমানে মোট পাঁচটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
- চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪): জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২৬ পর্যন্ত বাস্তবায়নাধীন।
- চাহিদাভিত্তিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্প (প্রথম পর্যায়): জুলাই ২০১৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত চলমান।
- ঢাকা মহানগরী ও পূর্বাচলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও উন্নয়ন প্রকল্প: জানুয়ারি ২০২০ থেকে জুন ২০২৭ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হচ্ছে।
বিশেষ অঞ্চলে শিক্ষা প্রকল্প
এছাড়াও, কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলা এবং নোয়াখালীর ভাসানচরে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প জুলাই ২০২৪ থেকে জুন ২০২৭ পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
স্কুল ফিডিং ও বিকল্প শিক্ষা কার্যক্রম
মন্ত্রী আরও যোগ করেন, ১৫০টি উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি জানুয়ারি ২০২৫ থেকে ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত চালু রয়েছে।
এদিকে, অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো ৫৮টি জেলায় কার্যকরী সাক্ষরতা ও ব্যবহারিক দক্ষতা প্রশিক্ষণ (প্রাক-বৃত্তিমূলক স্তর) কোর্স বাস্তবায়ন করছে।
বিদ্যালয়বহির্ভূত শিশুদের জন্য উদ্যোগ
মিলন সংসদকে আরও জানান, বিকল্প শিক্ষার সুযোগ (এএলও) শীর্ষক একটি উদ্যোগ দেশের ৬৪টি জেলার প্রতিটির একটি করে উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হবে।
এই প্রকল্পটি ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে একনেক সভায় অনুমোদিত হয়েছে এবং জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৮ পর্যন্ত চলবে।
মন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এসেছে, সরকার প্রাথমিক ও গণশিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যা দেশের শিক্ষা খাতের গুণগত মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
