শিক্ষামন্ত্রী মিলনের আহ্বান: নতুন বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষকদের নেতৃত্ব দিতে হবে
শিক্ষামন্ত্রী মিলন: নতুন বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষকদের নেতৃত্ব দিতে হবে

শিক্ষামন্ত্রী মিলনের আহ্বান: নতুন বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষকদের নেতৃত্ব দিতে হবে

শিক্ষা ও প্রাথমিক শিক্ষামন্ত্রী এ এন এম এহসানুল হক মিলন শিক্ষক সম্প্রদায়কে নতুন বাংলাদেশ গড়তে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষকরাই জাতির ভবিষ্যতের স্থপতি এবং আগামী প্রজন্মের দক্ষ নেতৃত্ব গঠনের মূল চাবিকাঠি।

২৭তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের প্রশিক্ষণে মন্ত্রীর বক্তব্য

মন্ত্রী সোমবার জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমিতে (এনএইএম) ২৭তম বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের নতুন নিযুক্ত কর্মকর্তাদের ২০৭তম ফাউন্ডেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ আহ্বান জানান। দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও বহু চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করায় কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানান তিনি।

তিনি তাদের নিয়োগে ব্যাপক বিলম্বের জন্য আফসোস প্রকাশ করে বলেন, “এক দশকেরও বেশি সময় পর এই কর্মকর্তাদের যোগদান দেশের প্রশাসনিক ইতিহাসের একটি অপ্রত্যাশিত ও দুর্ভাগ্যজনক অধ্যায়। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে ভবিষ্যতে এমন বিলম্ব ও অবিচার পুনরাবৃত্তি না হয়।”

শিক্ষকরা জাতি গঠনের কারিগর

নতুন নিযুক্ত শিক্ষাবিদদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী যোগ করেন, “আপনারা কেবল কর্মচারী নন; আপনারা জাতি গঠনের কারিগর। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষক সম্প্রদায় একই পরিবার। এই পরিবারের দায়িত্বশীল সদস্য হিসেবে আপনাদেরকে নিজ নিজ কর্মস্থলে সর্বোচ্চ নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের মান বজায় রাখতে হবে।”

তিনি ২৭তম বিসিএস ক্যাডারের সদস্যদের দীর্ঘমেয়াদী প্রতিবন্ধকতা দূর করতে বিশেষ বিবেচনার প্রতিশ্রুতিও দেন। মন্ত্রী নিশ্চিত করেন যে মন্ত্রণালয় চাকরির নিয়মিতকরণ ত্বরান্বিত করতে এবং বিদ্যমান নিয়ম-কানুন অনুযায়ী পদোন্নতি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

শিক্ষা খাতের সংস্কারে সরকারের অঙ্গীকার

সরকারের সংস্কার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে ড. মিলন বলেন, জাতীয় উন্নয়ন লক্ষ্যের সাথে সঙ্গতি রেখে শিক্ষা খাতকে আরও গতিশীল করতে এবং এর পরিধি সম্প্রসারণের জন্য প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে। তিনি শিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী ও কার্যকর করে তোলার উপর জোর দেন।

এনএইএমের মহাপরিচালক ওয়াসিম মো. মেজবাহুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এই অনুষ্ঠানটি শিক্ষা প্রশাসনে নতুন দিকনির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।