৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষা পিছিয়ে নেওয়ার দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম
৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষা দুই মাস পিছিয়ে জুলাই মাসে নেওয়ার দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছে পরীক্ষার্থীদের একটি অংশ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের দাবি মানা না হলে অনশনসহ কঠোর কর্মসূচি পালনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে দাবি উত্থাপন
সোমবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনকে (পিএসসি) ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে ৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার্থী মেহরুজ রহমান রাফসান বলেন, ৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষা দুই মাস পিছিয়ে জুলাই মাসে নিতে হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ৫১তম বিসিএস থেকে পরবর্তী সব বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ন্যূনতম চার মাস সময় দিয়ে সুশৃঙ্খল রোডম্যাপ তৈরি করতে হবে। এটি পরীক্ষার্থীদের জন্য একটি ন্যায্য ও কার্যকরী ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত হবে।
পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার্থী সোহাগ মিয়া ৫৮ দিনের প্রস্তুতির সময়কে অপর্যাপ্ত ও অবিচার বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ১ হাজার ২০০ নম্বরের বিশাল লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য মাত্র ৫৮ দিন সময় দেওয়া হয়েছে, যা কোনোভাবেই পর্যাপ্ত নয়।
সোহাগ মিয়া বলেন, আমরা পিএসসিকে ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছি। পিএসসি যদি এর মধ্যে কোনো পদক্ষেপ না নেয়, সে ক্ষেত্রে আমরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আগের ব্যাচগুলো প্রস্তুতির জন্য সাত থেকে আট মাস সময় পেত, যা বর্তমান পরিস্থিতির সাথে বৈষম্যমূলক।
আন্দোলনের সম্ভাবনা
পরীক্ষার্থীরা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তাদের দাবি মানা না হলে তারা বিভিন্ন ধরনের কঠোর কর্মসূচি পালন করবে। এর মধ্যে অনশন, বিক্ষোভ ও অন্যান্য শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
এ ঘটনা শিক্ষা ও কর্মসংস্থান খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সূত্রপাত করেছে, যেখানে পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতির সময় ও সুযোগ নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।



