খুলনা বন্ধুসভায় ‘মেঘমল্লার’ গল্প নিয়ে পাঠচক্র অনুষ্ঠিত
খুলনা বন্ধুসভায় ‘মেঘমল্লার’ গল্প নিয়ে পাঠচক্র

খুলনা বন্ধুসভার পাঠচক্রের আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোটগল্প ‘মেঘমল্লার’ নিয়ে। ৮ মে বিকেলে এই আয়োজনটি সম্পন্ন হয়। সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন সাধারণ সম্পাদক ফারজানা যুথি।

গল্পের মূল উপজীব্য

‘মেঘমল্লার’ ছোটগল্পটিতে প্রকৃতি, সংগীত এবং মানুষের আবেগের এক অপূর্ব মেলবন্ধন ফুটে উঠেছে। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র সংগীতসাধক প্রদ্যুম্ন, যিনি মেঘমল্লার সুরে বাঁশি বাজাতে পারদর্শী। তার বাঁশির সুর এতই তীব্র যে মেঘমল্লার রাগে বাঁশি চঞ্চল হয়ে ওঠে। এই রাগের মধুর ধ্বনি যেমন তার প্রিয়া সুনন্দার মনে প্রেমের জোয়ার আনে, তেমনি তান্ত্রিক বিদ্যার প্রভাবে বাঁশির টানে মর্ত্যে নেমে আসেন দেবী সরস্বতী। তান্ত্রিক গুনাঢ্য এই সুযোগে দেবীকে বন্দী করে, এবং পরবর্তী সময়ে প্রদ্যুম্নের আত্মবলিদানের মাধ্যমেই দেবীর মুক্তি ঘটে।

পাঠচক্রের আলোচনা

মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক সৌরভ ঘোষ বলেন, “গল্পটিতে লেখক প্রতিটি চরিত্রের সঙ্গে গ্রামীণ সৌন্দর্য এবং প্রকৃতির মনোরম রূপ তুলে ধরেছেন। প্রদ্যুম্ন ও সুনন্দার মিলহীন প্রেমকাহিনি পাঠকের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয়।”

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পাঠচক্রে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিভিন্ন গল্প ও উপন্যাস নিয়েও আলোচনা হয়। আলোচনায় উঠে আসে তার বিখ্যাত উপন্যাস ‘পথের পাঁচালী’, ‘আদর্শ হিন্দু হোটেল’, ‘চাঁদের পাহাড়’, ‘আরণ্যক’সহ আরও অনেক রচনার কথা।

অর্থ সম্পাদক অনির্বাণ সরকার বলেন, “বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্পগুলোতে প্রকৃতির ঘটনাগুলো খুব সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে, যা বাস্তবতার সঙ্গে মিল পাওয়া যায়।”

পাঠচক্রে আরও উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ও ত্রাণ সম্পাদক হাসিবুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এম মাসুম বিল্যাহ, বন্ধু সালাউদ্দীন সাবাদসহ অনেকে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ