মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বিশেষ সুযোগ: আলিম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন ফি জমার নতুন সময়সীমা
মাদ্রাসা বোর্ডের আলিম রেজিস্ট্রেশনে বিশেষ সুযোগ, ফি জমার সময় বাড়ল

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বিশেষ সুযোগ: আলিম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন ফি জমার নতুন সময়সীমা

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের (পরীক্ষা-২০২৭) আলিম শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বিশেষ সুযোগ প্রদান করেছে। যারা অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে পারেননি, তাদের জন্য বোর্ড আবারও রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘোষণা করা হয়েছে।

রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া ও সময়সীমা

বোর্ডের আওতাধীন আলিম পর্যায়ের মাদ্রাসাপ্রধানগণ তাদের প্রতিষ্ঠানের বাদ পড়া শিক্ষার্থীদের তথ্য অনলাইনে eSIF পূরণের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে পারবেন। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ফি জমা দেওয়া যাবে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ তারিখ পর্যন্ত। সোনালি পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে ফি সিস্টেমে জমা হওয়ার পরই কেবল তথ্য আপলোডের জন্য নতুন এন্ট্রি অপশন পাওয়া যাবে। নতুন শিক্ষার্থীদের তথ্য (eSIF) এন্ট্রির সর্বশেষ সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ মার্চ তারিখ পর্যন্ত।

ফি কাঠামো ও শর্তাবলি

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আলিম শ্রেণির নিয়মিত শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনসহ অন্যান্য ফি বাবদ সর্বমোট ৬৮৫ টাকা জমা দিতে হবে। অন্যদিকে, অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ১৫০ টাকা পাঠ বিরতি (ব্রেক অব স্টাডি) ফিসহ মোট ৮৩৫ টাকা জমা দিতে হবে। বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই বিশেষ সুযোগে শুধু বিলম্ব ফি দিয়ে নতুন শিক্ষার্থীর তথ্য এন্ট্রি করা যাবে। তবে আগে এন্ট্রিকৃত কোনো শিক্ষার্থীর তথ্য ডিলিট করার সুযোগ থাকবে না।

সংশোধন প্রক্রিয়া ও নির্দেশনা

বর্তমানে আগে রেজিস্ট্রেশনকৃত শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ভুল বিভাগ, বিষয় ও ছবি সংশোধনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মাদ্রাসাপ্রধানগণকে বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রতিষ্ঠানের EIIN ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে সতর্কতার সঙ্গে রেজিস্ট্রেশনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য বলা হয়েছে। এই পদক্ষেপটি শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে নেওয়া হয়েছে, যাতে কেউ ভর্তি প্রক্রিয়া থেকে বাদ না পড়েন।

বোর্ডের এই উদ্যোগটি শিক্ষা ব্যবস্থায় নমনীয়তা ও সহায়তা প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি শিক্ষার্থীদের জন্য দ্বিতীয় সুযোগ সৃষ্টি করেছে, যা তাদের শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে।