নবাবগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগে দুই শিক্ষকের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন
মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নির্যাতন: নবাবগঞ্জে মানববন্ধনে দুই শিক্ষকের বিচার দাবি

নবাবগঞ্জে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগে দুই শিক্ষকের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

ঢাকার নবাবগঞ্জের জৈনতপুর এলাকায় আশরাফুল উলুম মাদ্রাসার চার শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগে দুই শিক্ষকের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে শিক্ষার্থীদের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে মাদ্রাসার প্রধান ফটকে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়, যা পরে একটি বিক্ষোভ মিছিলে রূপ নেয়। মিছিলটি এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রতিবাদের ঝড় তোলে।

অভিযোগ ও প্রতিবাদের বিস্তারিত বিবরণ

নবাবগঞ্জ উপজেলার বারুয়াখালী ইউনিয়নের জৈনতপুর এলাকায় অবস্থিত এই মাদ্রাসার দুই শিক্ষক মো. জাকারিয়া (৪০) ও মো. নান্দান (৪৫)-এর বিরুদ্ধে তুচ্ছ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মারধর ও শাস্তি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর দাবি, কিছুদিন ধরে চলা এই নির্যাতনের ঘটনায় শিক্ষার্থীরা মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মানববন্ধনে নির্যাতনের শিকার চার শিক্ষার্থী সরাসরি বক্তব্য দিয়ে তাদের বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা শোনায়।

এক শিক্ষার্থীর বাবা মুন্নু কাজী বলেন, ‘আমার ছেলেকে নির্যাতন করা হয়েছে, কিন্তু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বা পুলিশের কাছ থেকে কোনো প্রতিকার মেলেনি। আমরা চাই, অভিযুক্ত শিক্ষকদের দ্রুত বিচার হোক, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা না ঘটে।’ অন্য এক মা জান্নাতুল আক্তার জানান, তার ছেলেকে গোসলে দেরি করার অপরাধে কান ধরে ওঠবস করানো হয়েছিল, এমনকি কান টেনে ধরে রাখায় রক্তপাতও ঘটে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আশরাফুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোনে পাওয়া যাননি। অন্যদিকে, নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার আলম বলেন, ‘ঘটনাটি সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সামাজিকভাবে মীমাংসা হয়েছে বলে ধারণা ছিল, তবে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’ এই প্রতিবাদ আন্দোলন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিশু সুরক্ষা ও দায়িত্বশীলতার গুরুত্বকে আরও উজ্জ্বল করেছে।