জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কার্যক্রমের ষষ্ঠ পর্যায়ের মেধাতালিকা প্রকাশ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার এ, বি, সি, ডি এবং ই ইউনিটের ষষ্ঠ পর্যায়ের মেধাতালিকা প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি কার্যক্রম ৯ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দিয়েছে।
ভর্তি প্রক্রিয়া ও সময়সূচি
বুধবার (৮ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ষষ্ঠ পর্যায়ে বিষয়প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ৯ এপ্রিল দুপুর ১২টা থেকে ১২ এপ্রিল রাত ১২টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি-সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে লগইন করে ভর্তি ফরম পূরণ করতে হবে এবং নির্ধারিত ভর্তি ফি অনলাইনে জমা দিতে হবে।
এছাড়া, ৯ এপ্রিল থেকে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত (সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টার মধ্যে) বিশ্ববিদ্যালয় খোলা থাকার দিনগুলোতে সংশ্লিষ্ট ডিন অফিসে সরাসরি ভর্তি ফরম এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে স্লিপ সংগ্রহ করতে হবে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভর্তি নিশ্চিত করা যাবে।
ভর্তি ফির বিস্তারিত তথ্য
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন অনুষদের জন্য ভর্তি ফির হার নির্ধারণ করেছে। বিজ্ঞান ও লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদভুক্ত বিভাগগুলোর জন্য ভর্তি ফি ১২ হাজার ৬৩০ টাকা (ব্যবহারিক ক্লাস ফিসহ) নির্ধারণ করা হয়েছে। বিজনেস স্টাডিজ অনুষদভুক্ত বিভাগগুলোর জন্য এই ফি ১০ হাজার ৬৩০ টাকা।
কলা, সামাজিক বিজ্ঞান ও আইন অনুষদের বিভাগ ও ইনস্টিটিউটগুলোর জন্য (ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন, সংগীত ও নাট্যকলা বিভাগ ব্যতীত) ভর্তি ফি ১০ হাজার ৬৩০ টাকা। অন্যদিকে, ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন, সংগীত ও নাট্যকলা বিভাগ এবং চারুকলা অনুষদের বিভাগগুলোর জন্য ভর্তি ফি ১২ হাজার ৬৩০ টাকা (ব্যবহারিক ক্লাস ফিসহ) নির্ধারিত হয়েছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভর্তি কার্যক্রম শেষে যদি কোনো আসন শূন্য থাকে, তাহলে আগামী ১৬ এপ্রিল উন্মুক্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এই পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ভর্তি কার্যক্রম দেশের উচ্চশিক্ষা খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন ও অফলাইন উভয় পদ্ধতিতে ভর্তি সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে, যা ডিজিটাল বাংলাদেশের লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।



