ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে ছাত্রদলের মিষ্টি বিতরণ: তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ উদযাপন
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) মিষ্টি বিতরণ করেছেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে মঙ্গলবার রাতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যা একটি গণতান্ত্রিক যাত্রার সূচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ছাত্রদলের উদ্যোগ ও নেতৃত্ব
ছাত্রদলের মাস্টারদা সূর্য সেন হলের আহ্বায়ক মনোয়ার হোসেন প্রান্ত এই মিষ্টি বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি তারেক রহমানের জন্য দোয়া চেয়ে বলেন, 'দীর্ঘ ১৭ বছর পর একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। সুন্দরভাবে একটি গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু হওয়ার খুশিতে আমরা সবাইকে মিষ্টি বিতরণ করেছি।'
মনোয়ার হোসেন প্রান্ত আরও উল্লেখ করেন, 'তারেক রহমান তাঁর দক্ষতা ও যোগ্যতার মাধ্যমে আগামী দিনে দেশকে একটি আধুনিক ও উন্নত দেশে পরিণত করবেন, আমরা সেই প্রত্যাশা রাখি।' এই মিষ্টি বিতরণ কেবল একটি আনন্দের প্রকাশ নয়, বরং একটি রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য নেতা-কর্মী
এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের বিভিন্ন হলের নেতৃবৃন্দ, যারা এই উদ্যোগে অংশগ্রহণ করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন:
- মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল ছাত্রদলের সাংস্কৃতিক সম্পাদক হারুন অর রশিদ
- মাস্টারদা সূর্য সেন হলের যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুল হক
- হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল ছাত্রদলের সদস্য কিয়েভ বারী
এই নেতা-কর্মীরা একসাথে মিষ্টি বিতরণ করে তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়াকে স্বাগত জানান এবং দেশের উন্নয়নে তাঁর সাফল্য কামনা করেন।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব
এই ঘটনাটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, যেখানে দীর্ঘ সময় পর একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সরকার গঠিত হয়েছে। ছাত্রদলের এই উদ্যোগ রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রতি তাদের সমর্থন এবং আশাবাদকে প্রতিফলিত করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ঐতিহাসিকভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত, এবং এই মিষ্টি বিতরণ সেই ধারাবাহিকতায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
উল্লেখ্য, এই অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র আনন্দ প্রকাশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একটি রাজনৈতিক বার্তা বহন করে, যা দেশের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা সম্পর্কে ছাত্র সমাজের প্রত্যাশাকে তুলে ধরে।
