বিদ্যুৎ সংকটে খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয় ৪ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা
বিদ্যুৎ সংকটে বিশ্ববিদ্যালয় ৪ দিন বন্ধ

বিদ্যুৎ জটিলতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম চারদিনের জন্য স্থগিত

সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে অবস্থিত খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয় বিদ্যুৎ সরবরাহের মারাত্মক সংকটের মুখোমুখি হয়ে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চারদিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের জটিলতা এবং ব্যাপক লোডশেডিংয়ের প্রেক্ষাপটে।

বিজ্ঞপ্তি জারি ও সময়সীমা

বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মো. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। এই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয় ২২ এপ্রিল থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে। তবে একটি ব্যতিক্রম হিসেবে ২৩ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চালু থাকবে। ২৬ এপ্রিল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত কার্যক্রম পূর্বের ন্যায় যথারীতি পুনরায় শুরু হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ

জানা গেছে, এই অঞ্চলে ন্যাশনাল গ্রিড এবং নিজস্ব পাওয়ারপ্লান্ট থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয়, নার্সিং কলেজ এবং ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজসহ একাধিক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয়। কিন্তু বর্তমানে বিদ্যুতের ব্যাপক লোডশেডিংয়ের কারণে এসব প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই সংকট মোকাবেলায় কর্তৃপক্ষ বৃহৎ চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখার জন্য হাসপাতালের সমস্ত কার্যক্রম চালু রেখেছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ছাত্র ও ছাত্রী হলগুলিও এই চারদিনের জন্য বন্ধ থাকবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অঞ্চলটির বিদ্যুৎ পরিস্থিতি

তাঁতশিল্প সমৃদ্ধ সিরাজগঞ্জের এই অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংকটের মাত্রা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টানা এক ঘণ্টার জন্যও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। এই অনিশ্চয়তা শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, স্থানীয় শিল্প ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকেও ব্যাহত করছে।

বিদ্যুৎ সংকটের এই দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, গবেষণা এবং প্রশাসনিক কাজে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা করছেন যে চারদিনের এই বিরতির পর বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে এবং ২৬ এপ্রিল থেকে পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা সম্ভব হবে।