ঈদে নৌপথে যাত্রী সন্তুষ্টি নিশ্চিতে ১০% কম ভাড়া নির্ধারণ
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ঈদ-উল-ফিতরের সময় নৌপথে যাত্রীদের আরামদায়ক ও সাশ্রয়ী যাত্রা নিশ্চিত করার জন্য সরকারিভাবে নির্ধারিত ভাড়ার তুলনায় ১০ শতাংশ কম ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক সন্তুষ্টি তৈরি করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ঈদের আগে মালিকদের সাথে আলোচনা
প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান বলেন, "ঈদের আগে আমরা লঞ্চ মালিকদের সাথে আলোচনা করে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ১০ শতাংশ কম ভাড়া আদায়ের সিদ্ধান্ত নিই। সেই অনুযায়ী ঈদ যাত্রায় ভাড়া আদায় করা হয়। একইভাবে ফেরত যাত্রার জন্যও ১০ শতাংশ কম ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। ফলে এবার নৌপথের যাত্রীরা খুশি।"
তিনি সোমবার (২৩ মার্চ) পটুয়াখালী লঞ্চঘাট পরিদর্শনকালে এই মন্তব্য করেন। পরিদর্শনের সময় তিনি ঢাকাগামী বেশ কয়েকটি লঞ্চে উঠে যাত্রীদের সাথে কথা বলেন। তিনি অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে কিনা তা জিজ্ঞাসা করেন এবং কিছু যাত্রীর সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
রমজান মাসে দায়িত্ব গ্রহণ
প্রতিমন্ত্রী আরও যোগ করেন, "আমরা রমজান মাসে দায়িত্ব গ্রহণ করি। তাই আমাদের প্রাথমিক দায়িত্ব ছিল ঈদ যাত্রাকে নির্বিঘ্ন করা। সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমরা মালিকদের সাথে আলোচনা করে কম ভাড়া আদায়ের নির্দেশ দিই। উদাহরণস্বরূপ, পটুয়াখালী থেকে যাত্রার জন্য ৪৫০ টাকা আদায় করা হচ্ছে, যা আগে ৫০০ টাকা ছিল।"
লঞ্চ টার্মিনালের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, "লঞ্চঘাটের পরিবেশ ভালো। তবে নদীর নাব্যতা সংকটের বিষয়ে আমি ৭ এপ্রিলের মধ্যে সমাধানের নির্দেশ দিয়েছি।"
পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন
এই পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার কুটি, পটুয়াখালী নদীবন্দরের উপপরিচালক এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা। সরকারের এই উদ্যোগ নৌপথে যাত্রীদের জন্য ঈদ যাত্রাকে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করে তুলেছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তটি যাত্রীদের আর্থিক চাপ কমাতে এবং ঈদের সময় নিরাপদ ও আরামদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ভবিষ্যতেও এমন জনবান্ধব পদক্ষেপ গ্রহণের আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।



