রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা
সরকার দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে রোববার (১৫ মার্চ) এই নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা।
এক নির্ভীক রাজনৈতিক নেতার পথচলা
বীর মুক্তিযোদ্ধা ঈশা একজন নির্ভীক ও সংগ্রামী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। ১৯৭৯ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। পরবর্তীতে তিনি রাজশাহী মহানগর বিএনপির সদস্য পদ লাভ করেন এবং সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক, সহসভাপতি এবং আহ্বায়কের দায়িত্ব সফলভাবে সম্পাদন করেছেন। এই দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তাকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করেছে।
আইন পেশায় চার দশকের অভিজ্ঞতা
অ্যাডভোকেট ঈশা ১৯৮১ সালে আইন পেশায় যুক্ত হন এবং প্রায় ৪৩ বছর ধরে এই পেশায় সক্রিয় রয়েছেন। ২০০১ সালে তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যা তার সামাজিক দায়বদ্ধতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অবদানকে তুলে ধরে।
এছাড়া তিনি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের রাজশাহী মহানগর শাখার আহ্বায়ক হিসেবে কাজ করছেন। তার আইনজীবী জীবনের এই অভিজ্ঞতা প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে অবদান
বীর মুক্তিযোদ্ধা ঈশা শুধু রাজনীতি ও আইন পেশায় সীমাবদ্ধ নন, তিনি শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন, যা তার সমাজসেবামূলক মনোভাবকে প্রতিফলিত করে।
এই নিয়োগের মাধ্যমে সরকার স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞ ও যোগ্য ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করছে বলে বিশ্লেষকরা মত প্রকাশ করেছেন। রাজশাহী জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক হিসেবে তার দায়িত্ব পালন জেলার উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।
