কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ও পদ্মা সেতু হয়ে স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ। আজ বুধবার (২৭ মে) সকাল থেকেই ঘরমুখো মানুষের এই স্বস্তির যাত্রা দেখা গেছে। বিগত বছরগুলোর মতো এবার ঘাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকার চেনা ভোগান্তি নেই। সেতু কর্তৃপক্ষের নিবিড় নজরদারি এবং টোল প্লাজাগুলো দ্রুত সচল থাকায় এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের গতি স্বাভাবিক রয়েছে।
যাত্রীদের স্বস্তি
দ্রুততম সময়ে পদ্মা সেতু পার হতে পেরে যাত্রীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পরিবহন চালকেরাও কোনো প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই নির্বিঘ্নে গাড়ি চালাতে পারছেন। সব মিলিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের তৎপরতায় এবারের ঈদযাত্রা হয়ে উঠেছে আনন্দময় ও স্বস্তিদায়ক।
প্রশাসনের ভূমিকা
সেতু কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত প্রচেষ্টায় যানজট ও ভোগান্তি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। টোল প্লাজাগুলোতে পর্যাপ্ত কর্মী ও প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে, যা যাত্রীদের নিরাপত্তা বাড়িয়েছে।
পরিবহন ব্যবস্থাপনা
পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সহযোগিতায় যানবাহন চলাচল সুষ্ঠু রয়েছে। চালকরা দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা না করেই সেতু পার হতে পারছেন, যা তাদের শ্রম ও সময় বাঁচিয়েছে। যাত্রীরাও জানিয়েছেন, এবারের ভ্রমণ অভিজ্ঞতা অতীতের চেয়ে অনেক ভালো।
সব মিলিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের ঈদযাত্রা এবার হয়েছে আরামদায়ক ও নির্বিঘ্ন। প্রশাসনের তৎপরতা ও জনসচেতনতার কারণে ভোগান্তি কমেছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।



