এ বছরের মধ্যে ৫০ লাখ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: গণপূর্তমন্ত্রী
এ বছরের মধ্যে ৫০ লাখ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে

গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন বলেছেন, সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড প্রদান কার্যক্রম শুরু করেছে। এ বছরের মধ্যে সারা দেশে ৫০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে। দলমত নির্বিশেষে দেশের প্রতি আস্থা বিশ্বাস ও ভালোবাসা বাড়াতে হবে এবং ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কাজে লাগিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। এটি সামাজিকভাবে দেশের সব নাগরিকের দায়িত্ব।

নারী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য

রোববার কুমিল্লার বরুড়ায় নারী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০২৬ সালের ১০ মার্চ চালু হওয়া প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে দেশের ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের মাধ্যমে শুভ উদ্বোধন করেন। এই ধারাবাহিকতায় ১৬ মে ২০২৬ তারিখে চাঁদপুরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০টি জেলায় আরও ১৫ হাজার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। এই কার্ডের মাধ্যমে পরিবারগুলো আর্থিক সহায়তা পাবে। পরবর্তীতে আগামী ৫ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ৪ কোটি পরিবারকে এই সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বর্তমান সরকারের।

কৃষিঋণ মওকুফ ও অন্যান্য উদ্যোগ

বর্তমান সরকার নির্বাচিত হওয়ার ১০ দিনের মধ্যে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করেছে, যা প্রায় ১৩ লাখ ১৭ হাজার ৪৯৮ জন ক্ষুদ্র কৃষককে সহায়তা করবে। এ প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকার ঋণ মওকুফ করা হয়েছে। ধর্মীয় উপাসনালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, অধ্যক্ষ, পালক/যাজকসহ ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সম্মানী প্রদান করেছে বর্তমান সরকার। বাংলাদেশে নারীদের নিরাপদ ও আরামদায়ক যাতায়াত নিশ্চিত করতে বিশেষ বাস সার্ভিস চালু করবে সরকার, যেখানে চালক থেকে শুরু করে হেলপার পর্যন্ত সবাই নারী।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নারীদের আর্থ-সামাজিক ক্ষমতায়নে সমর্থন দেওয়া, প্রশিক্ষণ ও ক্ষুদ্রঋণ প্রসার, স্বাস্থ্যসেবা সুলভ করা এবং সামাজিক সহাবস্থান নিশ্চিত করার মতো বিষয়গুলোতে স্থানীয় প্রতিনিধিদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান মন্ত্রী। সমাবেশে স্থানীয় নারী সমাজ, শিক্ষক, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।