সংবিধান সংশোধনে সরকার ও বিরোধী দলের যৌথ প্রস্তাব আনবে: চিফ হুইপ
সংবিধান সংশোধনে সরকার-বিরোধী দলের যৌথ প্রস্তাব

সংবিধান সংশোধনে সরকার ও বিরোধী দলের যৌথ প্রস্তাব আনবে: চিফ হুইপ

চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম বুধবার বলেছেন, সরকার এবং বিরোধী দল যৌথভাবে সংবিধান সংশোধনের একটি প্রস্তাব আনতে যাচ্ছে। তিনি এই বিষয়ে বিদ্যমান মতপার্থক্য আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

আলোচনার মাধ্যমে ঐকমত্যে পৌঁছানো হবে

সংসদ কমপ্লেক্সে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় নুরুল ইসলাম বলেন, "যদিও সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে আমাদের এবং বিরোধী দলের মধ্যে কিছু মতপার্থক্য রয়েছে, তবুও আমরা ঐকমত্যে পৌঁছে একটি যৌথ প্রস্তাব পেশ করব।" তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রধান লক্ষ্য হলো গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এবং দেশের গঠনমূলক উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়া।

তিনি আরও যোগ করেন, "আমরা সংসদে আলোচনা ও সমালোচনার মাধ্যমে সমৃদ্ধ হতে চাই এবং দেশপ্রেমের জায়গা থেকে ঐকমত্যে পৌঁছানো সময়ের ব্যাপার মাত্র।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মিডিয়াকে ইতিবাচক দিক তুলে ধরার আহ্বান

চিফ হুইপ মিডিয়াকে নেতিবাচক প্রতিবেদনের পাশাপাশি ইতিবাচক উন্নয়নগুলোকেও গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরার আহ্বান জানান। তিনি চট্টগ্রামে অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি লিমিটেড বন্ধের বিষয়ে সাম্প্রতিক কভারেজের উল্লেখ করে বলেন, সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন যেমন দুটি জাহাজে প্রায় ২০০,০০০ মেট্রিক টন তেল বন্দরে নোঙর করা সেসব বিষয়ও মনোযোগ পাওয়ার দাবিদার।

প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন প্রচেষ্টা

নুরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের সামগ্রিক কল্যাণের জন্য কাজ করছেন, যার মধ্যে মানবিক রাষ্ট্র গঠন, গণতন্ত্রকে সুসংহত করা এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা অন্যতম। তিনি দেশের অগ্রগতি ও স্থিতিশীলতার উপর জোর দেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিদেশে কর্মসংস্থান ও ভাষা দক্ষতার গুরুত্ব

কর্মসংস্থান ও মানবসম্পদ উন্নয়নের বিষয়ে নুরুল ইসলাম বিদেশে চাকরির সুযোগ বাড়ানোর জন্য ভাষা দক্ষতার গুরুত্বের উপর জোর দেন। তিনি মধ্যপ্রাচ্যের জন্য আরবি, চীনের জন্য ম্যান্ডারিন, ইতালির জন্য ইতালীয়, দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য কোরিয়ান এবং জাপানের জন্য জাপানি ভাষা শেখার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। তবে তিনি ইংরেজিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে চিহ্নিত করেন, কারণ এর বিশ্বব্যাপী প্রাসঙ্গিকতা রয়েছে।

তিনি বলেন, "ভাষা দক্ষতা বৃদ্ধি করে আমরা বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বাড়াতে পারি, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।" এই প্রচেষ্টাগুলো দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।