ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ১০ কিলোমিটার যানজট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চার দিনের ছুটিতে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় থেমে থেমে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর থেকে এই যানজটের সূত্রপাত হয়, যা এলেঙ্গা থেকে সদর উপজেলার শিবপুর পর্যন্ত উত্তরবঙ্গগামী লেনে বিস্তৃত।
যানজটের কারণ ও প্রভাব
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ছুটিতে উত্তরাঞ্চলসহ আশপাশের ২৩ জেলার মানুষ যাতায়াত করছে, যার ফলে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ ব্যাপকভাবে বেড়েছে। এই অতিরিক্ত চাপের কারণে দুপুরের পর থেকে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে, যা যাত্রীদের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শরিফ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, "নির্বাচনী ছুটিতে যানবাহনের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় যানজট তৈরি হয়েছে, এবং আমরা বিভিন্ন পয়েন্টে কাজ করে এটি নিরসনের চেষ্টা করছি।"
যাত্রীদের অভিযোগ ও পুলিশের তৎপরতা
যানজটের মধ্যে ঘরমুখো মানুষদের ভোগান্তি ছাড়াও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অনেক যাত্রী জানান, তারা উচ্চ ভাড়া দিতে বাধ্য হচ্ছেন, যা তাদের আর্থিক ক্ষতির কারণ হচ্ছে।
এদিকে, মহাসড়কে যানজট নিরসনে পুলিশ বিভিন্ন পয়েন্টে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তারা যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
এই যানজটের প্রভাব শুধুমাত্র টাঙ্গাইল অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি সারাদেশের যাতায়াত ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করতে পারে, বিশেষ করে উত্তরবঙ্গগামী প্রধান সড়ক হিসেবে এই মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
