নাহিদ রানার আগুনে বোলিংয়ে বাংলাদেশের জয়, ওয়ানডে সিরিজ সমতায়
নাহিদ রানার ৫ উইকেটে বাংলাদেশের জয়, সিরিজ সমতায়

নাহিদ রানার আগুনে বোলিংয়ে বাংলাদেশের জয়, ওয়ানডে সিরিজ সমতায়

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে দারুণ বোলিং ও ব্যাটিং প্রদর্শনের মাধ্যমে ৬ উইকেটে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে বাংলাদেশের পেসার নাহিদ রানা ৫ উইকেট শিকার করে দলকে জয়ের পথ দেখিয়েছেন। অন্যদিকে, তানজিদ হাসানের ঝড়ো ৭৬ রানের ইনিংসে বাংলাদেশ সহজেই ১৯৯ রানের টার্গেট অর্জন করে।

নাহিদ রানার বোলিং ঝড়ে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং ধস

নিউজিল্যান্ড প্রথমে ব্যাট করে ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ রান সংগ্রহ করে। কিউই ওপেনার নিক কেলি ১০২ বলে ৮৩ রান করলেও অন্য ব্যাটসম্যানরা দাঁড়াতে পারেননি। নাহিদ রানা ৫ উইকেট নিয়ে নিউজিল্যান্ডের ইনিংসকে বারবার থামিয়ে দেন। তাঁর বোলিং গতি ছিল অসাধারণ, ১৪১ কিলোমিটারের বেশি গতির বল দিয়ে তিনি পাঁচটি উইকেটই শিকার করেন।

নাহিদের প্রথম আঘাত আসে অষ্টম ওভারে, যখন তিনি হেনরি নিকোলসকে এলবিডব্লু করে দেন। পরের ওভারেই উইল ইয়াংকে আউট করে নিউজিল্যান্ডকে চাপে ফেলেন। শরীফুল ইসলামও ২ উইকেট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন, যার মধ্যে ছিল কেলির উইকেটটিও। তাসকিন আহমেদ, রিশাদ হোসেন ও সৌম্য সরকার একজন করে উইকেট নেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তানজিদ-নাজমুলের জুটিতে বাংলাদেশের সহজ জয়

১৯৯ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের ওপেনার তানজিদ হাসান ৫৮ বলে ৭৬ রান করেন, যাতে ছিল ৪টি ছক্কা ও ১০টি চার। তিনি নাজমুল হোসেনের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ১২০ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যান। নাজমুল ৫০ রানে অপরাজিত থাকলেও পায়ের মাংসপেশিতে টান পড়ায় মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন।

অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাওহিদ হৃদয় বাকি রানগুলো সহজেই করে নেন। বাংলাদেশ মাত্র ৩৫.৩ ওভারেই ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯৯ রান করে জয় পায়। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে জেইডেন লেনক্স ২ উইকেট নিলেও তা যথেষ্ট হয়নি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সিরিজ সমতায়, চট্টগ্রামে ফাইনাল ম্যাচ

এই জয়ের মাধ্যমে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ১-১ সমতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ড জয়ী হলে দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ জবাব দিয়েছে। সিরিজের চূড়ান্ত ও ফাইনাল ম্যাচটি ২৩ এপ্রিল চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে, যা উভয় দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন নাহিদ রানা, যাঁর বোলিং বাংলাদেশের জয়কে নিশ্চিত করে। বাংলাদেশের ফিল্ডিংও এই ম্যাচে উল্লেখযোগ্য ছিল, বিশেষ করে তাওহিদ হৃদয়ের দারুণ ক্যাচটি। এই জয় বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের জন্য একটি বড় মোরাল বুস্টার হিসেবে কাজ করবে।