নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দাবি করেছেন, তার এলাকায় চাঁদাবাজির টাকায় ১০০ গরু কুরবানি দেওয়া হয়েছে। যারা এটি করেছে, তারাই দেশের সবচেয়ে বড় চাঁদাবাজ।
শাহাদতবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তব্য
শনিবার দুপুরে বসুরহাট পৌরসভা মিলনায়তনে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ফখরুল ইসলাম বলেন, প্রতিপক্ষের এক নেতা গতকাল বলেছেন, তারা ১০০টি গরু কুরবানি দিয়েছেন। একটি আসনেই যদি ১০০টি গরু কুরবানি দেওয়া হয়, তাহলে সারাদেশে তারা কী পরিমাণ চাঁদাবাজি করেছে, তা সহজেই অনুমান করা যায়।
মন্ত্রী ও এমপির গরু কেনা প্রসঙ্গ
তিনি আরও বলেন, একজন মন্ত্রী, যিনি জমিদার পরিবারে জন্ম নিয়েছেন, তিনি কুরবানির হাট থেকে পাঁচটি গরু কিনেছেন। অথচ সেটিকে কেন্দ্র করে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। একইভাবে লক্ষ্মীপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য শহীন উদ্দিন এ্যানী ৩০ মে উপলক্ষে এতিমখানা ও অসহায় মানুষের জন্য পাঁচটি গরু কিনেছিলেন। সেটিও সমালোচনার বিষয় হয়ে গেছে।
নিজের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমিও আজ দুটি গরু জবাই করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করেছি।
চাঁদাবাজ চিহ্নিত করার আহ্বান
বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে চাঁদাবাজদের চিহ্নিত করার আহ্বান জানান।
সভায় আরও বক্তব্য দেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব হারুনুর রশীদ আজাদ, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল আলম সিকদার, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুর রহমান রিপন, বসুরহাট পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল মতিন লিটন এবং সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল মামুনসহ অন্যান্য নেতারা।



