কুরবানির ঈদে পশুর চামড়া যাতে নষ্ট না হয়, সে লক্ষ্যে মসজিদের ইমামসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে কার্যকর উদ্যোগ নিতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৪ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে বৈঠক শেষে এ কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বাজার স্থিতিশীল রাখতে সমন্বিত উদ্যোগ
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং বন্ধ থাকা শিল্প কারখানা চালু করতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে। একইসঙ্গে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কার্যপরিধি আরও বাড়ানো হবে। তিনি আরও জানান, কুরবানির ঈদে পশুর চামড়া সংরক্ষণে মসজিদের ইমামসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং আলোচনার মাধ্যমে কার্যকর উদ্যোগ নিতে ডিসিদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গবাদিপশুর উদ্বৃত্ত ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা
এর আগে গত ৩ মে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছিলেন, চলতি বছর কুরবানিযোগ্য গবাদিপশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। অন্যদিকে কুরবানির চাহিদা ধরা হয়েছে ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি থাকায় চলতি বছর দেশে ২২ লাখ ২৭ হাজারের বেশি গবাদিপশু উদ্বৃত্ত থাকতে পারে। ফলে কুরবানির পশু নিয়ে কোনো সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা নেই বলে জানান তিনি।
সীমান্ত দিয়ে কুরবানির পশু যাতে অবৈধভাবে দেশে ঢুকতে না পারে সেজন্য সরকার কঠোর নজরদারি করবে বলেও জানিয়েছেন প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী। তিনি বলেন, সীমান্তে বিজিবি, পুলিশসহ কঠোর নজরদারি করা হবে। কোনো অনুপ্রবেশ বরদাস্ত করা হবে না।
হাট ও অনলাইন বেচাকেনায় নিরাপত্তা
মন্ত্রী আরও জানান, হাট এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর থাকবে। সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করবে। অনলাইনে পশু বেচাকেনায় খাজনা বা হাসিল দিতে হবে না। কুরবানির পশুর ট্রাকে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবে সরকার। এরই মধ্যে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।



