কালশী বস্তিতে আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে ফায়ার সার্ভিসের সময় বেশি লেগেছে
কালশী বস্তিতে আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে ফায়ার সার্ভিসের সময় বেশি

রাজধানীর কালশী বস্তিতে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয়েছে ফায়ার সার্ভিসকে। সরু সড়ক ও পানির উৎস না থাকায় আগুন নেভাতে সময় বেশি লেগেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

ফায়ার সার্ভিসের বক্তব্য

অগ্নিকাণ্ডস্থলে ফায়ার সার্ভিসের সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লে. কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার বলেন, “সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে আমরা আগুনের সংবাদ পাই। বস্তিটিতে প্রায় এক হাজার ২০০ ঘর ও দোকান রয়েছে। তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার লোকের বসতি। ৭টা ৩২ মিনিটে আমাদের প্রথম ইউনিট পৌঁছায়। আগুনের ভয়াবহতা দেখে আরও ১৪টি ইউনিট কাজ করে। ১২৩ জন ফায়ার ফাইটার, স্থানীয় লোকজন, ভলেন্টিয়ার, পুলিশ, র‍্যাব ও সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় রাত ৯টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা আগুন সম্পূর্ণ নির্বাপণ করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আগুনের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও সূত্রপাত এখনও কিছু জানা যায়নি। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে জানা যাবে।”

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পাওয়ার কারণ

আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পাওয়ার কারণের বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের এই পরিচালক বলেন, “এখানে রাস্তাগুলো সরু। এজন্য অগ্নিকাণ্ডস্থলে পৌঁছানো যাচ্ছিল না। আর একটা বড় সমস্যা আশপাশে পানির কোনও উৎস নেই। যার কারণে আমাদের ১৫টা বিশেষ পানিবাহী গাড়ি নিয়ে আসতে হয়েছে।”

আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ার কারণ

আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বস্তিতে ভাঙারি ও কাগজপত্রের দোকান, প্লাস্টিকের জিনিসপত্রের দোকানের কারণে ধোঁয়া বেশি হচ্ছে। ভেতরের সব দাহ্য ধরনের যেমন, কাগজ-কাপড় টাইপের জিনিসপত্র ছিল। এছাড়া বৃষ্টির কারণে বাতাস ছিল প্রচুর, যার কারণে আগুনটা দ্রুত ছড়িয়ে গেছে।”

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উচ্ছেদ অভিযানের সঙ্গে যোগসূত্র?

এখানে কয়েকদিন আগে উচ্ছেদ অভিযান হয়েছিল। এর সঙ্গে আগুনের কোনও যোগসূত্র আছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “তদন্ত সাপেক্ষে এটা বলতে পারবো। আমরা ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করবো।”