বড় দাতাদের কাছ থেকে ঋণ প্রতিশ্রুতি নেই, চলতি অর্থবছরে ১১ মাসে শূন্য
বড় দাতাদের কাছ থেকে ঋণ প্রতিশ্রুতি নেই, চলতি অর্থবছরে শূন্য

চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) জাপান, ভারত, রাশিয়া ও এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (এআইআইবি) কোনো নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) মঙ্গলবার প্রকাশিত জুলাই-মে মাসের বিদেশি ঋণ পরিস্থিতির হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

ভারতের ঋণ প্রতিশ্রুতি শূন্য

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর থেকে ভারত কোনো নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসেও এই ধারা অব্যাহত রয়েছে। ভারতের এক্সিম ব্যাংকের তিন লাইন অব ক্রেডিটের (এলওসি) আওতায় বাংলাদেশ ৭৩৬ কোটি ডলার পাবে, কিন্তু অর্থছাড়ের গতি কমেছে। জুলাই-মে সময়ে মাত্র ২৫ কোটি ডলার ছাড় করেছে ভারত।

রাশিয়া ও জাপানের অবস্থান

রাশিয়া রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে অর্থায়ন করলেও গত ১১ মাসে নতুন কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি। ইআরডি সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশও কোনো প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য রাশিয়াকে প্রস্তাব দেয়নি। তবে পুরোনো ঋণের বিপরীতে রাশিয়া ৯৩ কোটি ডলার ছাড় করেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অন্যদিকে, জাপানও গত ১১ মাসে কোনো নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি। তবে একাধিক প্রকল্পে ঋণ নিয়ে ইআরডি জাপানের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রেখেছে। জুলাই-মে সময়ে আগের নেওয়া ঋণের ৪৩ কোটি ডলারের বেশি ছাড় করেছে জাপান।

এআইআইবি ও অন্যান্য দাতা

এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (এআইআইবি) কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি না দিলেও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সঙ্গে কনসোর্টিয়াম ঋণে আগ্রহী। এ নিয়ে আলোচনা চলছে। সবচেয়ে বেশি ঋণ দেওয়া ৭টি বড় দাতা সংস্থা ও দেশের মধ্যে ৪টিই গত ১১ মাসে কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি। বিশ্বব্যাংক, এডিবি ও চীনের কাছে ঋণের প্রতিশ্রুতি মিলেছে।

সার্বিক ঋণ প্রতিশ্রুতি কমেছে

সার্বিকভাবে বিদেশি ঋণের প্রতিশ্রুতি কমেছে। ইআরডি সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে বাংলাদেশ মোট ৪২২ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের ৫৫০ কোটি ডলারের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হ্রাস।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঋণ পরিশোধে নতুন রেকর্ড

জুলাই-মে সময়ে আগের নেওয়া ঋণের বিপরীতে বাংলাদেশকে বিভিন্ন ঋণদাতা সংস্থা ও দেশকে ৪১৩ কোটি ২৩ ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে, যা বিদেশি ঋণ শোধে নতুন রেকর্ড। এ সময়ে বিদেশি ঋণ ও অনুদান এসেছে প্রায় ৪৫৮ কোটি ডলার।