প্রবাসীর স্ত্রী সন্তান ও স্বর্ণ নিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়েছে
প্রবাসীর স্ত্রী সন্তান ও স্বর্ণ নিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে পলায়ন

প্রবাসীর স্ত্রী সন্তান ও স্বর্ণালংকার নিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে পলায়ন

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার হাসনাবাদ ইউনিয়নের মানরা গ্রামে এক প্রবাসীর স্ত্রী তার কন্যা সন্তান, বিপুল পরিমাণ অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পরকীয়া প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী প্রবাসী মাহবুবুর রহমান সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। তিনি মঙ্গলবার (১২ মে) মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ জানান।

গত বৃহস্পতিবার (৭ মে) তার স্ত্রী ফারজানা আক্তার (২২) একই গ্রামের সাফিন (২৫) নামের এক যুবকের সঙ্গে পালিয়ে যান। ঘটনার পর ভুক্তভোগীর বাবা আবুল বাসার বাদী হয়ে পুত্রবধু ফারজানা ও প্রেমিক সাফিনের বিরুদ্ধে মনোহরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তবে অভিযোগ দায়েরের পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে উদ্ধার করতে পারেনি। স্ত্রী, সন্তান ও সম্পদ হারিয়ে প্রবাসে পাগলপ্রায় অবস্থায় দিন কাটছে মাহবুবুর রহমানের।

ছয় বছরের দাম্পত্য ও পলায়নের ঘটনা

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ছয় বছর আগে পারিবারিকভাবে উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের ওমর ফারুকের মেয়ে ফারজানা আক্তারের সঙ্গে বিয়ে হয় মানরা গ্রামের আবুল বাসারের ছেলে মাহবুবুর রহমানের। বিয়ের কয়েক মাস পর তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান। এর মধ্যে কয়েক দফা ছুটিতে বাড়ি আসেন। তাদের ঘরে একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্বামী দেশের বাইরে থাকায় একই গ্রামের বেলায়েত হোসেনের ছেলে সাফিন (২৫) নামের এক যুবকের সঙ্গে ফারজানার পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি ফারজানার পরিবারকে দফায় দফায় জানানো হলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পলায়ন

গত ৭ মে ফারজানা তার স্বামীর পাঠানো ৫০ হাজার টাকা, এনজিও থেকে ঋণের জন্য তোলা ৫ লাখ টাকা এবং প্রায় আড়াই ভরি স্বর্ণালংকারসহ কন্যা সন্তান মায়মুনা আক্তার মারিয়াকে নিয়ে প্রেমিক সাফিনের হাত ধরে পালিয়ে যান।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভুক্তভোগী প্রবাসী মাহবুবুর রহমানের বাবা আবুল বাশার বলেন, পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ আমার নাতনি ও ছেলের বউয়ের কোনো হদিস দিতে পারেনি। আমার ছেলে প্রবাসে এখন বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। প্রবাসী মাহবুব দ্রুত তার সন্তানকে উদ্ধার এবং অভিযুক্ত সাফিনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

মনোহরগঞ্জ থানার ওসি মাকসুদ আহমেদ বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।