মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপারসন বললেন, ক্ষমতাবানদেরও চ্যালেঞ্জ করার সাহস রাখে কমিশন
মানবাধিকার কমিশন ক্ষমতাবানদের চ্যালেঞ্জ করার সাহস রাখে

মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপারসন বললেন, ক্ষমতাবানদেরও চ্যালেঞ্জ করার সাহস রাখে কমিশন

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপারসন বিচারপতি (সাবেক) মইনুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, মানবাধিকার রক্ষা ও সংরক্ষণে ক্ষমতার করিডোরে থাকা ব্যক্তিদেরও চ্যালেঞ্জ করার সাহস রাখে কমিশন। সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উদ্যোগে নাগরিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

জেলে নির্যাতনসহ যেকোনো লঙ্ঘন খতিয়ে দেখার এখতিয়ার রয়েছে

মইনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, জেলে নির্যাতন বা যেকোনো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা খতিয়ে দেখার পূর্ণ এখতিয়ার কমিশনের রয়েছে। তিনি আরও জানান, মানবাধিকার বিষয়ে গবেষণা এবং ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে সচেতনতা তৈরির কাজ দ্রুতই শুরু করা হবে।

সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সুপারিশ

এ সময় মানবাধিকার সুরক্ষার আইনি কাঠামো আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা। তারা বৈষম্যবিরোধী আইন পাস এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে চূড়ান্ত সুপারিশ তুলে ধরেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • টিআইবি, ব্লাস্ট, সিপিডি, আইন ও শালিস কেন্দ্রসহ মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠনগুলো অংশ নেন।
  • তারা বলেন, মানবাধিকার কমিশনকে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা থেকে মুক্ত করে নতুন আইন কার্যকর করা প্রয়োজন।
  • এছাড়া কমিশনের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের তাগিদ দেন।

মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণকারীরা একমত হন যে, দেশে মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়নে কমিশনের ভূমিকা আরও সক্রিয় ও কার্যকর হওয়া উচিত। তারা আশা প্রকাশ করেন, কমিশনের নতুন উদ্যোগগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন হলে সাধারণ মানুষের অধিকার সুরক্ষায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ