রাজধানীর পল্লবী এলাকায় সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় রোববার (২২ মে) চার্জশিট জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তার বক্তব্য
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওহেদুজ্জামান ভূঁইয়া নিপুণ শনিবার (২১ মে) ফোনে বার্তা সংস্থা বাসসকে জানান, ডিএনএ পরীক্ষার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে এবং রোববার চার্জশিট জমা দেওয়া যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, তিনি বর্তমানে চার্জশিট প্রস্তুত করছেন এবং তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ডিএনএসহ বিভিন্ন প্রতিবেদন পরীক্ষা করছেন।
অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি
পুলিশ জানায়, ২০ মে গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্ত ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
অপরাধের বিবরণ
তদন্তকারীদের মতে, অভিযুক্ত শিশুটিকে একটি ঘরে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যায় এবং অপরাধ সংঘটন করে। ঘটনার পর প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করে এবং পরে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। জিজ্ঞাসাবাদ ও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে অভিযুক্ত দাবি করে যে ঘটনার আগে সে ইয়াবা সেবন করেছিল।
পূর্ব শত্রুতা নেই
তদন্তকারীরা আরও জানান, অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগীর পরিবারের মধ্যে কোনো পূর্ব শত্রুতা পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগীর বাবা ২০ মে পল্লবী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। একই দিন পুলিশ অভিযুক্ত ও তার স্ত্রীকে আদালতে হাজির করে এবং তদন্তের অংশ হিসেবে পৃথক আবেদন দাখিল করে।
প্রতিক্রিয়া
শিশুটির নির্মম হত্যাকাণ্ড সারা দেশে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। মানবাধিকার সংগঠন ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো দ্রুত বিচার এবং শিশুদের জন্য শক্তিশালী সুরক্ষা দাবি করেছে।



