চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে আবু জাফর রোডের 'বিসমিল্লাহ ম্যানশন' নামে একটি ভবনে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্থানীয় জনতা ভবনটি ঘেরাও করে রেখেছে।
অভিযুক্ত আটক, জনতার বিক্ষোভ
অভিযুক্ত মনির নামে এক ব্যক্তিকে পুলিশ আটক করে থানায় নিতে গেলে বিক্ষুব্ধ জনতা আসামিকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। শত শত এলাকাবাসী পুলিশকে ঘেরাও করে রাখে। মনির স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানের কর্মী বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ করা হয়েছে—এমন তথ্য এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ জমায়েত হন। পরে অভিযুক্তকে ভবন থেকে বের করে আনার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের গাড়ি ঘিরে ধরে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সদস্যদের পিছু হটে অবস্থান নিতে হয়।
পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ
এ সময় জনতা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন এবং অভিযুক্তকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানান। এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সন্ধ্যার পর থেকেই বিপুলসংখ্যক মানুষ সেখানে জড়ো হতে থাকেন। ভবনের সামনে উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।
এ সময় পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়রা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পুলিশ কাঁদুনে গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়ার চেষ্টা করে। এতে কয়েকজন স্থানীয় লোকজন আহত হন।
স্থানীয়দের দাবি
স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইব্রাহিম যুগান্তরকে জানান, পুলিশ আসামি নিয়ে গেলে টাকা খেয়ে ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তারা মামলা হালকা করে দেয়। পুলিশ ও প্রশাসন উচিত বিচার করে না। তাই আমরা চাই আমরা নিজেরাই বিচার করি।
পুলিশের বক্তব্য
বাকলিয়া থানার ওসি মো. সোলাইমান বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি।



