প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি একাধিক দেশ সফর করেছেন, যা বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করেছে। সফরকালে তিনি বিভিন্ন দেশের নেতাদের সাথে বৈঠক করেন এবং বিনিয়োগ ও বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
সফরের মূল লক্ষ্য
এই সফরের মূল লক্ষ্য ছিল বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপান, চীন ও ভারত সফর করেন। জাপানে তিনি ১০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষর করেন। চীনে ৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ চুক্তি হয়। ভারতে বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
কূটনৈতিক সাফল্য
সফরটি বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, 'এই সফর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।' তিনি আরও বলেন, 'বিদেশি বিনিয়োগ বাংলাদেশের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।'
অর্থনৈতিক প্রভাব
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই চুক্তিগুলো বাংলাদেশের জিডিপি বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বিদেশি বিনিয়োগ ২০% বেড়েছে। এই সফর বিনিয়োগ আরও বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সমালোচনা ও চ্যালেঞ্জ
তবে সমালোচকরা বলছেন, ঋণ ও বিনিয়োগের শর্তগুলো স্বচ্ছ নয়। তারা সরকারের কাছে চুক্তির বিবরণ প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন। বিরোধী দল বিএনপি বলেছে, এই সফর দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হতে পারে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
সরকার আগামী পাঁচ বছরে ৫০ বিলিয়ন ডলার বিদেশি বিনিয়োগ আনার পরিকল্পনা করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, 'আমরা বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করছি। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আমরা সব ধরনের সুবিধা দেব।'



