বিএনপির ‘সন্ত্রাসবিরোধী’ শোভাযাত্রায় হামলা: শিবির নেতা ইমরানের ১ দিনের রিমান্ড
বিএনপির শোভাযাত্রায় হামলা: শিবির নেতার ১ দিনের রিমান্ড

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির ‘সন্ত্রাসবিরোধী’ মোটরসাইকেল শোভাযাত্রায় হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার কালাইয়া ইউনিয়ন শিবিরের সভাপতি মো. ইমরান খানের (২৮) এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পটুয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নওরিন করিম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

তিন দিনের আবেদনে এক দিনের রিমান্ড

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাউফল থানার এসআই মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল। আদালত শুনানি শেষে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার আশা করছে পুলিশ।

হামলার ঘটনা

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুন রাতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বাউফল পৌর শহর থেকে একটি ‘সন্ত্রাসবিরোধী’ মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বের করেন। শোভাযাত্রাটি কালাইয়া বন্দরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পৌর শহরে ফেরার পথে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একদল হামলাকারী অতর্কিত হামলা চালায়। এতে বিএনপির অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হন এবং প্রায় ২০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলা ও গ্রেপ্তার

এ ঘটনায় ২৯ জুন দাশপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. আল মামুন বাদী হয়ে বাউফল থানায় মামলা করেন। মামলায় দাশপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা এএনএম জাহাঙ্গীর হোসেনসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ এবং জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীসহ ৪০ জনকে আসামি করা হয়। আসামির তালিকায় বিএনপির দুই কর্মীর নামও রয়েছে। পুলিশ ৩০ জুন মামলার ৫ নম্বর আসামি ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সিসিটিভি ফুটেজে হামলার চিত্র

হামলার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ফুটেজে কয়েকজনকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রায় হামলা চালাতে দেখা যায়। হামলার মুখে শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল ফেলে নিরাপদ স্থানে সরে যান। পরে ফেলে রাখা মোটরসাইকেলগুলো ভাঙচুর করা হয়।

পুলিশের অভিযান অব্যাহত

বাউফল থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।