বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে দিল্লির বিমানবন্দরে আটকের ঘটনায় নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছে ভারত। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেছেন, জাহেদকে দেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তবে তিনি নিজেই ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
ঘটনার বিবরণ
মঙ্গলবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জয়সোয়াল বলেন, জাহেদ উর রহমান ১৪ জুন ব্যক্তিগত পাসপোর্ট এবং সাউথ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিওনাল কো-অপারেশন (সার্ক) ভিসায় ভারতীয় মহাসাগরীয় রিম অ্যাসোসিয়েশন (আইওআরএ) সিনিয়র কর্মকর্তাদের একটি সভায় যোগ দিতে ভারতে আসেন।
জয়সোয়াল বলেন, “ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তার সফরের উদ্দেশ্য আইওআরএ সভা সম্পর্কিত বলে নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে তিনি ঢাকায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।”
কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া
এই ঘটনায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। পরের দিন ঢাকায় ভারতীয় ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পবন বাধেকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়। দিল্লি বিমানবন্দরে এই ‘অবাঞ্ছিত ঘটনা’ নিয়ে বাংলাদেশ তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে।
জাহেদ উর রহমান আগে এই ঘটনাকে ‘হয়রানি’ বলে অভিহিত করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তিনি ব্যক্তি হিসেবে নয়, বরং সরকার ও রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবে ভারতে গিয়েছিলেন।
জাহেদের বক্তব্য
১৬ জুন এক সংবাদ সম্মেলনে জাহেদ বলেন, তিনি ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন কারণ তিনি মনে করেছিলেন তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ প্রয়োজন। যদিও ভারতীয় কর্তৃপক্ষ পরে তাকে দেশে প্রবেশ করে নির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার জন্য বোঝানোর চেষ্টা করেছিল।



