ইরানে স্থল অভিযান ‘আত্মঘাতী মিশন’: ট্রাম্পের উপদেষ্টা
ইরানে স্থল অভিযান ‘আত্মঘাতী মিশন’: ট্রাম্পের উপদেষ্টা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা ডেভিড স্যাকস ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা স্মারক চুক্তিকে ‘অসাধারণ সাফল্য’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, সামরিক সংঘাত বাড়ানোর পরিবর্তে কূটনীতিই বেশি কার্যকর পথ হতে পারে।

স্থল অভিযানের বাস্তবতা

স্থানীয় সময় শনিবার (২০ জুন) ‘অল-ইন পডকাস্ট’-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্যাকস বলেন, ইরানে স্থল অভিযান চালানোর আহ্বান বাস্তবসম্মত নয়। তার মতে, ইরানের বিশাল ভৌগোলিক আয়তনের কারণে এমন অভিযানে প্রায় ১০ লাখ সেনার প্রয়োজন হতে পারে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের সামরিক অভিযান হবে ‘একটি আত্মঘাতী মিশন’। তাই চুক্তিটিকে সফল হওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত বলে তিনি মত দেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কূটনীতির পক্ষে যুক্তি

ইরানের নির্বাসিত বিরোধী নেতা রেজা পাহলভির প্রসঙ্গ টেনে স্যাকস প্রশ্ন তোলেন, যারা ইরানে সরকার পরিবর্তনের পক্ষে কথা বলেন, তারা নিজেরা অস্ত্র হাতে নিতে কতটা প্রস্তুত। তিনি বলেন, ‘রেজা পাহলভি যদি বেভারলি হিলসে গিয়ে তার সমর্থকদের নিয়ে একটি বাহিনী গঠন করতে চান, তাহলে তিনি চেষ্টা করে দেখতে পারেন।’

স্যাকস কূটনৈতিক সমাধানের প্রতি জোর দিয়ে বলেন, ‘আসুন, শান্তিকে একটি সুযোগ দিই’। তিনি আরও সতর্ক করেন, যেন যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের মতো দীর্ঘস্থায়ী ও ব্যয়বহুল যুদ্ধে জড়িয়ে না পড়ে।

চুক্তির গুরুত্ব

স্যাকস ইরানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক চুক্তিকে ‘অসাধারণ সাফল্য’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং এর মাধ্যমে কূটনৈতিক সমাধানের পথকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ